ইউক্রেনে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর ওখতারকায় রুশ বাহিনীর কামানের গোলায় ৭০ জনেরও বেশি ইউক্রেনের সেনা নিহত হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এমন তথ্য। ইউক্রেনের সুমাই
ইউক্রেনে চলমান রুশ আগ্রাসন বন্ধে আর যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ সমাধানে ক্রিমিয়ার ওপর রুশ কর্তৃপক্ষের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতিসহ তিনটি শর্ত দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়ান সংবাদমাধ্যম আরটির এক খবরে বলা হয়, সোমবার
রুশ আগ্রাসনের মুখেই ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগ দিতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্চে ইউক্রেন। সোমবার ইইউতে যোগদানের আনুষ্ঠানিক আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানা
ইউক্রেনের রাজধানীর কিয়েভে আবারও হামলা শুরু করেছে রুশ সামরিক বাহিনী। বেলারুশের সীমান্তে রাশিয়া-ইউক্রেন বৈঠকের পর আজ মঙ্গলবার আবারও ইউক্রেনে এই হামলা চালানো শুরু করেছে রাশিয়া। কিয়েভের পাশাপাশি এদিন হামলা হয়েছে
আমি একটি স্বীকারোক্তি দিয়ে শুরু করবো। আমি বহুবার চিন্তা করেছি, “পুতিন এমন কাজ কোনদিনই করবেন না।” কিন্তু তারপর দেখা গেলো তিনি ঠিকই কাজটি করেছেন। “তিনি কোনদিন ক্রামিয়াকে সংযুক্ত করবেন না,”
ইউক্রেন সংঘাতে রাশিয়ার পাঁচ হাজারের বেশি সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন। টানা পঞ্চম দিনের মতো সেখানে সংঘাত চলছে। এর মধ্যেই কিয়েভের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে যে, গত কয়েক
আগামী ২ মার্চের মধ্যে ইউক্রেনে বিজয় চান রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়ার সাবেক ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই ফেদোরভ আল জাজিরাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আগামী কয়েকদিন রাশিয়ার জন্য খুবই গুরুত্ববহ।
ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে কাঙ্খিত শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে। ইউক্রেন-বেলারুশ সীমান্তের কাছে একটি স্থানে এ আলোচনায় বসেছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। স্থানীয় সময় সোমবার সকালে এ আলোচনা শুরু হয় বলে জানিয়েছে
রুশ আগ্রাসন প্রতিহতে ইউক্রেনে অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইইউ তাদের ইতিহাসে এই প্রথম এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার ঘোষণা দিল। বিবিসি লাইভে বলা হয়েছে, রোববার ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট
ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি রাশিয়া। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ভোরে এই হামলা শুরু হয়। সোমবার হামলার পঞ্চম দিন। রাশিয়া-ইউক্রেনের এই যুদ্ধকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সংঘাত