শিরোনাম :
দুই মাসে প্রধানমন্ত্রীর ৬০ অর্জন বগুড়ায় সাইক জেনারেল হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারি সেন্টার’র যাত্রা শুরু বগুড়া ৫ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি অসাম্প্রদায়িক-শোষণমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন এখনও অধরা জাতিসংঘে দাসত্ব ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃত, বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ক্রীড়াঙ্গনকে পেশাদার রূপ দিতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর কাহালুতে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন শিবগঞ্জে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বগুড়া প্রেসক্লাবের আলোচনা সভা শিবগঞ্জে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ও মিটার চুরির অভিযোগে শিপন গ্রেফতার

নন্দীগ্রামে নবান্নের মাছের মেলা

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২১

সুন্দর করে সাজানো সিলভার কার্প, কাতলা, চিতল, রুই, ব্লাডকার্প, বির্গেড, বাঘা আইড়, বোয়ালসহ হরেক রকমের মাছ। সারি সারি দোকান। সেখানে থরে থরে সাজানো চলছে হাঁকডাক, দরদাম। এক কেজি থেকে শুরু করে ২৫ কেজি ওজনের মাছ আছে। লোকজনও ব্যাপক উৎসাহের সঙ্গে কিনছেন এসব মাছ। আবার দেখতে এসেছেন অনেকেই।
জানা গেছে, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উৎসবের পঞ্জিকা অনুসারে বৃহস্পতিবার অগ্রহায়ণের এইদিনে নবান্ন উৎসব পালন করে। প্রতিবছর এ উৎসবকে ঘিরে বগুড়ার উপজেলার ওমরপুর, রণবাঘায় মাছের মেলা বসে। এছাড়ায় উপজেলার নাগরকান্দি, হাটকড়ই, ধুন্দার ও নন্দীগ্রামে মাছের মেলা বসেছে। মাছ মেলায় অনেক জেলে, মাছ খামারি, মাছ ব্যবসায়ি তাদের মাছ নিয়ে এনেছেন। উপজেলাজুড়ে প্রতিটি বাড়িতেই মেয়ে-জামাইসহ স্বজনদের আগে থেকেই দাওয়াত দেওয়া হয়।
১৮০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বির্গেড ও সিলভার কার্প মাছ বিক্রি হচ্ছে। রুই ও কাতলা মাছ বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি দরে। চিতল ও ব্লাডকার্প মাছ ওজনভেদে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও ১২ কেজি ওজনের গজাইড় মাছ ১৫০০ টাকা কেজি দরে দাম চাওয়া হচ্ছে।
এদিকে মেলায় শীতকালীন হরেক রকমের সবজি উঠেছে। প্রতিবারের মতো এবারও ক্রেতা সমাগম চোখে পড়ার মতো হলেও মাছের দাম অনেকটা স্বাভাবিক বলে জানান ক্রেতা ও বিক্রেতারা।
কালিকাপুর গ্রামের ধীরেন চন্দ্র বলেন, ‘যুগ যুগ ধরে অগ্রহায়ণ মাসের এইদিন মাছের মেলা বসে। দিন যতই যাচ্ছে এই মেলার ঐতিহ্য ততই বাড়ছে।’
মাছ বিক্রেতা মিলন হোসেন বলেন, মেলায় ছোট-বড় মিলে প্রায় শতাধিক মাছের দোকান বসেছে। প্রত্যেক বিক্রেতা অন্তত ১০ থেকে ২০ মণ করে মাছ বিক্রি করেছেন। গুন্দইল গ্রামের অপর মাছ বিক্রেতা মোস্তফা আলী বলেন, নবান্ন উৎসবকে ঘিরেই তাঁরা মূলত বড় বড় মাছ মেলায় বিক্রি করতে আনেন। তাঁরা ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতাকে চিন্তা করে মাছের দাম কম রাখেন। এলাকা মানুষদের সঙ্গে দামের ক্ষেত্রে তেমন একটা আপত্তি করেন না।
উপজেলার কাথম গ্রাম থেকে অতিথি আপ্যায়নের জন্য মাছ কিনতে এসেছেন শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, দীর্ঘ দিন ধরে এখানে নবান্ন উৎসব উপলক্ষে মেলা বসে। দিনব্যাপী এই মেলায় নিত্যনতুন জিনিস পাওয়া যায়। প্রধান আকর্ষণ মাছ। পুকুরের বড় বড় মাছ মেলায় বিক্রি করতে আনেন। এ মেলায় মাছের পাশাপাশি সকল মেলা পণ্য পাওয়া যায়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023