গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধি
বগুড়ার গাবতলীতে জমির বিরোধে একই পরিবারের ৬জনকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগে থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে মিষ্টার নামের এক যুবক এখন আশঙ্কাজনক অবস্থায় বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। মিষ্টারের মাথায় সাবল দিয়ে এলোপাতারীভাবে আঘাত করা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় এজাহারভুক্ত মানিক মিয়া (৩২) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে শুক্রবার (৪ এপ্রিল) আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। গ্রেফতারকৃত মানিক লালখাঁপাড়া গ্রামের মৃত ময়েজ প্রামানিকের ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২এপ্রিল সকাল ৯টায় উপজেলার দূর্গাহাটা ইউনিয়নের লালখাঁপাড়া গ্রামে। জানা গেছে, গাবতলীর লালখাঁপাড়া গ্রামের মৃত রবিয়া প্রাং এর ছেলে মোস্তাফিজার রহমান (৬৫) এর সাথে একই গ্রামের কতিপয় ব্যক্তির জমাজমার বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এরই জের ধরে ২এপ্রিল সকালে ওই প্রতিপক্ষরা ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোস্তাফিজারের বসতবাড়ীতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা এ সময় একে একে মোস্তাফিজার রহমান ও তার স্ত্রী রাবেয়া বেগম (৫০), দুই ছেলে মিষ্টার (২৮) ও মিল্লাত (৩৪) এবং ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মুঞ্জিলা বেগম (৩৫) কে কুপিয়ে জখম করে। আহতরা গাবতলী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। এদের মধ্যে মিষ্টারের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। যাবার সময় মুঞ্জিলার গলায় থাকা দেড় ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় মোস্তাফিজার রহমান বাদী হয়ে হাবেল, মানিক, সোহাগ, জনতা বেগম, মহিদুল, টুনি বেগম, মোগলা, শামীম ও তৌহিদুলকে অভিযুক্ত করে এবং ৩/৪জনকে অজ্ঞাত বলে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শরীফুল ইসলাম জানান, এ সংক্রান্ত একটি এজাহার হাতে পেয়েছি। এজাহারভুক্ত ২নং আসামী মানিককে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এজাহারভুক্ত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।