শিরোনাম :
বগুড়ায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন আরজেএফ চেয়ারম্যানের খিলগাঁওয়ের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, অভিযোগ পেয়ে তদন্তে পুলিশ শেরপুরে একই রাতে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মন্দিরে চুরি শিবগঞ্জের আটমূল ইউনিয়ন পরিদর্শন করেন রাজশাহী বিভাগের স্থানীয় সরকার পরিচালক পীরগঞ্জে প্রধান সড়কে উচ্ছেদ অভিযান ও যানজট নিরসনে স্থায়ী সমাধানের দাবি এলকাবাসির বগুড়ার নন্দীগ্রামে ১ হাজার ২শ’ পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রবিউল গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছেন : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শিবগ্ঞ্জে গোল্ডেন জিপিএ-৫, মাহফুজের সকল দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি ধুনটে বাক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা পীরগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু

আশ্রয়ের সন্ধানে বানভাসীরা, বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৪

ভারতের ত্রিপুরা থেকে নেমে আসা ঢল ও কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টির কারণে লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালীতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি নেই এক সপ্তাহ ধরে। আশ্রয়ের খোঁজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটছেন বানভাসীরা। আশ্রয় সংকটের পাশাপাশি বানভাসীরা ভুগছেন ওষুধ, সুপেয় পানি ও খাবার সংকটে।

গত এক সপ্তাহ ধরে ত্রাণ ও আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুটি করছেন লক্ষ্মীপুরের মানুষেরা। বন্যায় ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ায় ৫ উপজেলার ৮ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে দিশেহারা। ১৯৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই হয়েছে মাত্র ২৫ হাজার মানুষের।
ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রুটে আজ থেকে চলবে ট্রেন

আশ্রয়কেন্দ্রেও স্বস্তি নেই। দিনে ও রাতে বেশিভাগ সময় থাকছে না বিদ্যুৎ। এ ছাড়া পানিবাহিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নেই পর্যাপ্ত ওষুধ, বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সরবরাহ।

ত্রাণ পৌঁছায়নি নোয়াখালীর বন্যা দুর্গত অনেক এলাকায় ত্রাণ পৌঁছায়নি নোয়াখালীর বন্যা দুর্গত অনেক এলাকায় বানভাসীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ৬৬টি মেডিকেল টিম গঠন করেছে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসন। সরকারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে পৌঁছানো হচ্ছে ত্রাণ সহায়তা।

লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান বলেন, ‘আমরা সিভিল সার্জনের সাথেও যোগাযোগ রেখেছি। আমাদের স্বাস্থ্যসেবাগুলো যেন অব্যাহত থাকে, সে বিষয়ে তিনি কাজ করছেন। এ বিষয়ে ৬৬টি মেডিকেল টিম রয়েছে। সরকারিভাবে যে বরাদ্দ আমরা পেয়েছি, তা ইউএনওদের ভাগ করে দিচ্ছি। ইউএনওরা চাল ও শুকনো খাবার কিনে প্যাকেট করে বিভিন্ন জায়গায় বিতরণ করছে।’

এদিকে, নোয়াখালীর ৯ উপজেলায় সরকারি তালিকাভুক্ত আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়াও শহরে ও গ্রামের বিভিন্ন উঁচু দালানগুলোতে ঠাঁই নিয়েছেন বানভাসীরা। এখানেও পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই ওষুধ, পানি ও খাবার। তবে সরকারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নেয়া মানুষ পাচ্ছেন কিছুটা সুযোগ-সুবিধা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023