মুক্তজমিন ডিজিটাল রিপোর্ট:সাগরে লঘুচাপের প্রভাবে গত দু’দিনে বিক্ষিপ্তভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝরেছে স্বস্তির বৃষ্টি। এতে চৈত্রের শেষদিকে এসে তাপমাত্রার দাপট কিছুটা কমেছে। যদিও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এখনো ৩৫ ডিগ্রির ঘরেই বিরাজ করছে। তবে এই অবস্থার মধ্যেই আগামী ৫ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। এছাড়া লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
এই অবস্থায় শনিবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে এই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। আজ রোববার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি এই সময়েও বাড়তে পারে দিন ও রাতের তাপমাত্রা।
এদিকে সোমবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই সময়ে ঢাকা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে এই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।
অন্যদিকে মঙ্গল ও বুধবার (১৫-১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো বা বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এরমধ্যে মঙ্গলবার তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এছাড়া বুধবার দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও অপরিবর্তিত থাকতে পারে রাতের তাপমাত্রা।
শুক্রবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ ও চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহে দেশের সর্বোচ্চ ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত ছাড়াও নেত্রকোণা, শ্রীমঙ্গল ও পটুয়াখালীতে সামান্য থেকে ১ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই অবস্থায় বর্ধিত ৫ দিনে দেশে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়ে কমতে পারে তাপমাত্রা।