সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধি
বগুড়ার সারিয়াকান্দি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুনজুর মোর্শেদের অপসারণের দাবিতে গত রবিবার সকালে কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করেছেন। তবে, শিক্ষকদের এই কর্মবিরতি ব্যাপক প্রতিবাদের সৃষ্টি করেছে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুনজুর মোর্শেদ অভিযোগ করেছেন যে, এসব কর্মবিরতির পেছনে কিছু ব্যক্তি ও চক্রের একত্রিত প্রচেষ্টা রয়েছে, যারা মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগের মাধ্যমে তার সুনাম ক্ষুণ্ন করতে চাচ্ছে। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুনজুর মোর্শেদ বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে ১৩ লক্ষ টাকা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। একাধিক ব্যক্তির মাধ্যমে এই অভিযোগ উঠে, কিন্তু ভিকটিম মোঃ জাহিদুল ইসলাম নিজেই স্বীকার করেছেন যে আমি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে কোনো টাকা দেইনি এবং আমি সরাসরি ক্ষমা চেয়েছি তার কাছে । এছাড়া, এক্সিম ব্যাংক সারিয়াকান্দি শাখায় সাধারণ হিসাবের মধ্যে থাকা ৫০ লক্ষ টাকা নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বলেন, “এই অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। আমি একা এই টাকা উত্তোলন করতে পারি না, কারণ এটি কলেজের সভাপতির স্বাক্ষর ছাড়া কলেজ ফান্ডের কোন টাকা উত্তোলন করা সম্ভব নয়। এছাড়া, এটি একটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ষড়যন্ত্রের অংশ, এটি কেবল কলেজের প্রশাসনিক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও এডহক কমিটির সভাপতি এ্যাডঃ নূর এ আজম বাবুর সুনাম ক্ষুন্ন করার উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আরও বলেন, দৈনিক করতোয়া পত্রিকায় প্রকাশিত খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। “আমার ওপর আনা এসব অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন এবং মিথ্যাচার। যারা এসব অভিযোগ তুলেছে, তারা কলেজের সভাপতি ও আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আমাদের সম্মানহানি করতে চাচ্ছে। এসব অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই এবং আমরা আইনগত পদক্ষেপ নেব।”