গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং বৃহস্পতিবার প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার শেষ পৃষ্ঠায় ‘বগুড়ায় রানার দখলে ৭০০ কোটি টাকার সম্পদ’ শিরোনামে সংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আনোয়ার হোসেন রানা আমার স্বামী। সে একজন সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তার বাবা একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। আমার এবং আমার স্বামীর মানসম্মান ক্ষুন্ন করতেই এরকম অসত্য সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। ইতিপূর্বেও এই সাংবাদিক মোহন আকন্দ আমার স্বামীর নামে অসত্য সংবাদ পরিবেশন করেছে। এর একমাত্র কারণ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হাসানাত আলী এবং মোফাজ্জল হোসেন রঞ্জুর ঘণিষ্ঠ বন্ধু এই সাংবাদিক। যা বগুড়ার সবাই জানে। রঞ্জুর সাথে তার আর্থিক লেনদেনও রয়েছে। যার কারণে বারবার তাদের পক্ষ হয়ে আমাদের ক্ষতি সাধনের অপচেষ্টা করে। আগে আওয়ামী লীগ রানার সাংবাদিক হলেও বর্তমানে ভোল পাল্টিয়েছে। আমার স্বামীর নামে মার্কেট নয় বরং আমার মা তা আমার নামে লিখে দিয়েছে। তাছাড়া একটি সিএনজি পাম্পও আমার নামে রয়েছে। এ ব্যতীত সমস্ত সম্পত্তি তারা আমার মায়ের কাছ থেকে জোরপূর্বক লিখে নিয়েছে। যার মূল্য আনুমানিক ১০০০ কোটি টাকা। এ ব্যাপারে আমাদের পক্ষ থেকে বারবার মীমাংসার প্রস্তাব দেওয়া হলেও অপর পক্ষ তা গ্রহণ করেনি। বরং তারা মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আইনি লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করেছি। আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় থাকা এমন একটি বিষয় নিয়ে যেনতেনভাবে সংবাদ পরিবেশন আদালত অবমাননার শামিল বলে মনে করি। আগে জানতাম মানুষ পত্রিকা পড়ে। এই প্রথম দেখলাম বগুড়ায় পত্রিকা দেয়ালে দেয়ালে পোস্টারের মত সাঁটানো হয়েছে। এতে করে দৈনিক প্রতিদেিনর বাংলাদেশ পত্রিকার মান বৃদ্ধি পেয়েছে না ক্ষুন্ন হয়েছে তা পত্রিকার কর্তৃপক্ষের উপরই ছেড়ে দিলাম। মোহন আকন্দের এটাই প্রথম নয়, এর আগে দৈনিক সংবাদ, দৈনিক যুগান্তর ও দৈনিক সমকাল থেকে এসব কারণে চাকুরিচ্যুত হয়েছে। এছাড়াও যে সব রাজনৈতিক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা মোহন আকন্দের মত অর্থলোভী নয়। সুতরাং তাদের সম্মানহানীরও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী
আকিলা সরিফা সুলতানা খানম
পিতা- মৃত সেখ সরিফ উদ্দিন
মাতা- মৃত দেলোয়ারা বেওয়া
স্বামী- আনোয়ার হোসেন রানা
সাং- নওয়াবরবাড়ী রোড, বগুড়া সদর, বগুড়া।