শিরোনাম :
সরকার ১ কোটি বেকারের হাতে কাজ নয় চাঁদাবাজির চাবি তুলে দিয়েছে : ডা. শফিকুর রহমান গাজীপুরে আগুনে, ৪৫টি ঘর পুড়ে ছাই মিরপুর-বাড্ডায় ৩ বাসে আগুন, যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণ রাজধানীতে একাধিক বাসে আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ একনেকে তিন মেট্রোরেল ও ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন ফ্যাসিস্ট আ”লীগের পথেই হাঁটছে বিএনপি : এটিএম আজহারুল ইসলাম বগুড়ায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন আরজেএফ চেয়ারম্যানের খিলগাঁওয়ের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, অভিযোগ পেয়ে তদন্তে পুলিশ শেরপুরে একই রাতে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মন্দিরে চুরি শিবগঞ্জের আটমূল ইউনিয়ন পরিদর্শন করেন রাজশাহী বিভাগের স্থানীয় সরকার পরিচালক

আবারও সীমান্তে গোলাগুলির শব্দ, সর্তক বিজিবি

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

একদিন বিরতি দিয়েই আবারও শুরু হয়েছে মিয়ানমার সীমান্তের ওপাড়ে গোলাগুলি ও মর্টাল শেলের আওয়াজ। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোর এবং রাতে কক্সবাজারের পালংখালীর আঞ্জুমান পাড়া থেকে মিয়ানমারের ঢেকবুনিয়া চেকপোস্টে গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। সীমান্তের ওপারে দেখা গেছে তীব্র ধোঁয়া। এতে এপারে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

এর আগে বান্দরবানের ঘুমধুম ও তমব্রু সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে টানা ১০ দিন ধরে চলা গোলাগুলি থামে রোববার। ওইদিন সীমান্তের ওপার থেকে গোলাগুলির শব্দ আসেনি। তবে একেদিন বিরতি দিয়ে সোমাবার রাত থেকে আবারও শুরু হয় গোলাগুলির শব্দ।

স্থানীয়রা জানায়, সোমবার রাতভর থেমে থেমে গুলির শব্দ শোনা গেছে। সীমান্ত এলাকায় যেতে নিষেধ করে দেয়া হয়েছে। তারা খেতে–খামারে যেতে পারছেন না গরু–ছাগল চরানো বন্ধ আছে।

এদিকে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় সীমান্ত এলাকায় না যেতে বিজিবির পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে বলে জানা যায়। স্থানীয়দের ধারণা, আরকান আর্মির অবস্থানে মিয়ানমার সরকারের বিমান হামলার শঙ্কাতেই এমন সতর্কতা।

অন্যদিকে, মিয়ানমার সীমান্তের ওপাড়ে সংঘাতের জেরে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছে রোহিঙ্গারা। তবে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।

স্থানীয়রা জানায়, দিনের বেলায় নাফ নদীতে ছোট ছোট ডিঙিতে রোহিঙ্গাদের ভাসতে দেখা গেছে। তবে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সতর্ক পাহারার কারণে দিনে ঢুকতে পারছেন না রোহিঙ্গারা। রাতে সুযোগ বুঝে নাফ নদী পাড়ি দেয়ার অপেক্ষা করছেন তারা। তবে এ বিষয়ে বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ পরিস্থিতিতে এসব এলাকার সীমান্ত পরিদর্শনে আসেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ও ডিআইজি। তারা জানান, বান্দরবানের ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ে মিয়ানমারের অনুপ্রবেশকারীরা থাকায় এসএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে পাশের স্কুলে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল ইসলাম বলেন, স্থানীয় এলাকার সাধারণ জনগণকে সীমান্ত এলাকা এড়িয়ে চলার জন্য আহ্বান করা হয়েছে। যারা পাশের দেশ থেকে বাংলাদেশে এসেছে, তাদের নিয়েও কূটনৈতিক আলোচনা হচ্ছে। আমরা আশা করছি শিগগির তাদের ওই দেশে ফিরিয়ে দিতে পারব।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023