চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় আরও এক যুবক আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
রবিবার গভীর রাতে জেলার শিবগঞ্জ সীমান্তের জোহরপুর ও ওয়াহেদপুর সীমান্তের মাঝখানে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম মোহাম্মদ শামীম। তিনি উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের সরাপাড়া গ্রামের বাহারুলের ছেলে। আহত ব্যক্তি একই ইউনিয়নের পোড়াপাড়া গ্রামের মৃত সহবুলের ছেলে শরিফুল ইসলাম।
শামীমের বাবা বিএসএফের গুলিতে তার ছেলের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করলেও এ ব্যাপারে বিজিবির পক্ষ থেকে আহত বা নিহতের বিষয়টি স্বীকার করা হয়নি।
জানা গেছে, নিহত ও আহত ব্যক্তিসহ ১০ জনের একটি দল রবিবার গভীর রাতে বাংলাদেশের জহরপুর এবং ওয়াহেপুর বিওপির সীমান্ত পিলার ১৬/৪ এস এর পাশ দিয়ে ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করে। এ সময় ভারতের চাঁদনী চক ও নুরপুরের বিএসএফ ক্যাম্পের একটি যৌথ দল রাত আড়াইটার দিকে গুলি ছুড়লে শামীম ও শরিফুল আহত হয়। এ সময় আহত শরিফুলসহ অন্যরা পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও শামীম ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
শরিফুল ডান হাতে গুলিবিদ্ধ হলে অজ্ঞাত স্থানে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বিষয়টি নিশ্চিত হতে আহত শরিফুলের মোবাইল ফোনে ফোন দিলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
নিহত শামীমের বাবা বাহারুল বলেন, তার ছেলের লাশ এখনো পাওয়া যায়নি। পরে সাংবাদিকের পরিচয় জানতে পেরে ফোন সংযোগ কেটে ফোন বন্ধ করে দেন।
এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চৌধুরী জোবায়ের হোসেন বলেন, সীমান্তে হতাহতের বিষয়টি শুনেছি।
৫৩ বিজিবি ব্যটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাহিদ হোসেন বলেন, স্থানীয়ভাবে একজন নিহত ও আহতের সংবাদ শুনেছি। কিন্তু নিহতের পিতা এ ধরনের কোনো অভিযোগ করেনি। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে, সত্যতা নিশ্চিত হলে গণমাধ্যমকে তা জানানো হবে।