ভোট করার জন্য টাকা না দেয়ায় প্রথম স্ত্রী রতনা বেগমকে (৩৫) হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে গেছে স্বামী ফজলে রাব্বি। তিনি গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী।
এ ঘটনায় স্বামী ফজলে রাব্বি পলাতক থাকলেও পুলিশ দ্বিতীয় স্ত্রী ফারজানাকে আটক করেছে। সোমবার গাইবান্ধা সদর উপজেলার উত্তর খোলাহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ইউপি নির্বাচনে মেম্বার পদপ্রার্থী খোলাহাটি গ্রামের বাসিন্দা ফজলে রাব্বি ভোট করার জন্য প্রথম স্ত্রী রতনা বেগমকে বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনতে বলে। কিন্তু স্ত্রী রতনা বেগম তার বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনতে অস্বীকার করে। এ নিয়ে কয়েকদিন যাবত দু’জনের মধ্যে মনোমালিন্য চলে আসছিলো।
গত রোববার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর স্বামী ফজলে রাব্বির সাথে রতনা বেগমের ঝগড়া হয়। এ ঘটনার মধ্যে দ্বিতীয় স্ত্রী ফারজানা বেগমও স্বামীর সাথে যোগ দেয়। এ সময় স্বামী ফজলে রাব্বি ও ফারজানা মিলে রতনা বেগমের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে ঘরের মধ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে ফজলে রাব্বি পালিয়ে যায় বলে নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে গাইবান্ধা সদর থানার ওসি তদন্ত আব্দুর রউফ জানান, সকালে ঘরের মধ্যে ঝুলন্ত লাশ দেখে গ্রামবাসী পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে লাশ নামিয়ে ময়না তদন্তের জন্য গাইবান্ধায় জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবেনা।
নিহতের পক্ষ থেকে অভিযোগ দাখিল করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও তিনি জানান।