বগুড়ায় অবৈধ ব্যাটারী কারখানা গড়ে উঠেছে। ফলে কৃষি অঞ্চলে চাষাবাদ ব্যবস্থা পড়েছে হুমকির মুখে। ব্যাটারী থেকে সংগ্রহকৃত সীসার প্লেট গলিয়ে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের ঘোলাগাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পশ্চিমে ন্যাংড়া বাজার থেকে দরগাহাট রোডের সংলগ্ন একটি টিনের বেড়া দিয়ে কারখানা গড়ে উঠেছে। ওই জমির মালিক এরুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক এক চেয়ারম্যান। কারখানার স্বত্বাধীকারী মো: ফারুক গাইবান্ধা থেকে এসে এখানে ভাড়া নিয়ে অবৈধ ব্যাটারী পোঁড়ানোর ব্যবসা চালাচ্ছেন। সেখানে ২০ জনের মতো শ্রমিক অব্যবহৃত ব্যাটারী থেকে পর্যায়ক্রমে লোহার সরঞ্জাম, প্লাস্টিকের ছোট বড় সামগ্রী বের করছেন। একদল শ্রমিক ঘুমাচ্ছে, তারা রাতে ব্যাটারী পোঁড়ানোর কাজ করে। পোঁড়ানোর কাজ শুরু করা হয় রাত ১০ টার পর থেকে। নিজের নিরাপত্তার জন্য পোঁড়ানোর ছবি প্রকাশ করা দুস্কর। কারখানার চারপাশে ধানের ক্ষেতগুলো বিষাক্ত এসিড ও ধুয়ার কারণে রোপণকৃত ধানের চারা পুড়ে গেছে। আসছে রবি মৌসূমে কৃষকদের হয়ে যাবে সর্বনাশ। সর্বনাশের অতিক্রম হলেও, প্রভাবশালীদের ভয়ে এলাকার কৃষকরা মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। কিন্ত ঘুমিয়ে আছে বগুড়ার পরিবেশ অধিদপ্তর। নিরবে বগুড়া জেলা প্রশাসকের সহযোগিতা কামনা করছেন এলাকার কৃষকেরা।
জানা গেছে, প্রায় আড়াই মাস আগে জমির মালিকের ছেলের থেকে মো: ফারুক রিলিজ নেন। তবে ব্যাটারী পোঁড়ানোর কাজ শুরু করে এবছরের সেপ্টেম্বরে।
ওই কারখানার মালিক মো: ফারুক জানান, আমাকে পরামর্শ দেন, এখানে ব্যবসা করতে আমার করণীয় কি?
এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, বিষয়টি জানা ছিল না। ওই ইউনিয়নের বিট পুলিশিং এর ইনচার্জ মীর রায়হান কিছু জানেন না।