শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

যুক্তরাষ্ট্রে বিলাসবহুল জীবনযাপনে ব্যস্ত গানির সন্তানরা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১

ডেস্ক রিপোর্ট

তালেবানের পুনরুত্থানের সময় দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা না করেই দেশত্যাগ করেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গানি। তিনি এখন সংযুক্ত আরব আমিরাতে রয়েছেন। অন্যদিকে, দেশের মানুষ যখন ভয় আর আতংকে ভিটেমাটি ছাড়ছে তখন যুক্তরাষ্ট্রে বিলাসবহুল জীবনযাপনে ব্যস্ত আশরাফ গানির সন্তানরা।

আশরাফ গানির কন্যা মরিয়াম গানি বসবাস করছেন ব্রুকলিনের একটি বিলাসবহুল বাড়িতে। গত সপ্তাহে খবরের পাতায় চাওড় হয় যে, আশরাফ গানির পুত্র তারেক গানি ১ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার মূল্যের ওয়াশিংটন ডিসির একটি বাড়িতে থাকছেন।

তারেক গানি স্টেন্ট লুইসে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির একজন অর্থনীতির প্রফেসর এবং তার স্ত্রী এলিজাবেথ পিয়ারসন এলিজাবেথ ওয়ারেনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে আছেন। যদিও এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে নারাজ সাবেক প্রেসিডেন্ট গানি।

১৫ আগস্ট সশস্ত্র গোষ্ঠী তালেবান কাবুল দখলের পর এক প্রকার অজুহাত দিয়ে দেশ ত্যাগ করেন গানি। এসময় তিনি চারটি গাড়ি ও একটি হেলিকপ্টার ভর্তি নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে যান বলে দাবি করে কাবুলের রুশ দূতাবাস।

jagonews24

দেশের যখন কঠিন পরিস্থিতি তখন এভাবে প্রেসিডেন্টের পালিয়ে যাওয়াকে অনেক আফগান ‘কাপুরুষ’ মন্তব্য করে তীব্র সমালোচনা করছেন। যদিও গত বুধবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর ফেসবুকে একটি ভিডিওবার্তা প্রকাশ করেন গানি। এতে পশ্চিমাসমর্থিত প্রেসিডেন্ট আবারও দাবি করেন, রক্তপাত এড়াতেই তিনি কাবুল ছেড়েছেন। পাশাপাশি, বিপুল অর্থ নিয়ে পালানোর অভিযোগও অস্বীকারও করেন এ নেতা।

এদিকে, ভয় আর আতংকে আফগান ছাড়তে কাবুল বিমানবন্দরে হাজার হাজার মানুষ। রোববার পর্যন্ত বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে মারা গেছেন ২০ জন। সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023