শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

অবশেষে বাড়ি ফিরল বিশ্বের সবচেয়ে ‌‌‌‌‌‌‘ক্ষুদে’ শিশু

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১

ডেস্ক রিপোর্ট

জন্মের পরই বিশ্বের সবচেয়ে ‌‌‌‌‌‌‘ক্ষুদে’ শিশুর তকমা পেয়েছিল সে। কিন্তু আর সব শিশুর মতো জন্মের কয়েকদিন পরই বাড়ি ফিরতে পারেনি। এক বছরের বেশি সময় সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালের ইন্টেন্সিভ কেয়ারে চিকিৎসা নেয়ার পর অবশেষে বাড়ি ফিরতে পেরেছে কুয়েক ইউ জুয়ান। জন্মের সময় তার ওজন ছিল মাত্র ২১২ গ্রাম অর্থাৎ একটা আপেলের ওজনের সমান।

 

বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জন্মের সময় শিশুটি ছিল মাত্র ২৪ সেন্টিমিটার। ধারণা করা হচ্ছে, জন্মের সময় শিশুদের ওজন এবং দৈর্ঘ্যের উচ্চতায় এখন পর্যন্ত সেই সবচেয়ে ছোট শিশু। সাধারণত মায়ের গর্ভে ৪০ সপ্তাহ থাকার পর একটি শিশুর জন্ম হলেও জুয়ানের জন্ম মাত্র ২৫ সপ্তাহে।

 

এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদে শিশুর তকমা পেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের একটি শিশু। ইউনিভার্সিটি অব লোয়ার টিনিয়েস্ট বেবিস রেজিস্ট্রি অনুযায়ী, ২০১৮ সালে জন্ম নেয়া ওই শিশুটির ওজন ছিল ২৪৫ গ্রাম।

 

জুয়ানের জন্মের আগে তার মায়ের প্রি-একল্যাম্পসিয়া ধরা পড়ে। উচ্চ রক্তচাপের কারণে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রতঙ্গের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা এবং মা ও শিশুর মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে সিজারের মাধ্যমে জুয়ানের জন্ম হয়।

 

তবে জন্মের সময় তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও এখন বেশ ভালোই আছে জুয়ান। এখন তার ওজন ৬ কেজির বেশি (১৪ পাউন্ড)। সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটাল (এনইউএইচ) যেখানে শিশুটি চিকিৎসাধীন ছিল সেখানকার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিশুটির বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ছিল খুবই কম। তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে সে এখন দিব্যি সুস্থ আছে।

 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রতিকূলতা এবং জন্মের সময় স্বাস্থ্যগত জটিলতার পরেও তার বেঁচে থাকার উদ্যম এবং সুস্বাস্থ্য এখন তার আশেপাশের মানুষদের অনুপ্রাণিত করছে। করোনা মহামারির এই সময়ে তাকে বিস্ময়কর শিশু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অস্থিরতার মধ্যেও আশার আলো জাগিয়েছে সে।

 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নানা ধরনের যন্ত্রপাতি এবং বিভিন্ন চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ রাখার চেষ্টা করা হয়। তবে এখনও তার ফুসফুসে কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার অবস্থার আরও উন্নতি ঘটবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023