ডেস্ক রিপোর্ট
করোনার বিস্তার ঠেকাতে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে ইউরোপের দেশ জার্মানি। সেখানে স্কুলসহ জরুরি নয়, এমন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত কঠোর এই লকডাউন জারি থাকবে। তবে বড়দিনের সময় লকডাউন কিছুটা শিথিল করা হতে পারে। যেখানে পরিাবরের সর্বোচ্চ ৪ জন সদস্যকে একত্রিত হওয়ার অনুমতি দেয়া হবে। বিবিসি।
বুধবার দেশটিতে করোনায় ৯৫২ জন মারা গেছেন এবং নতুন করে ২৭ হাজার ৭২৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান ভন ডার লিয়েন বলেছেন, এক সপ্তাহের মধ্যেই ইউরোপে প্রথমবারের মতো করোনার টিকা অনুমোদন পেতে পারে।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টকে তিনি জানিয়েছেন, জার্মানিতে প্রস্তুত করা ফাইজার ও বায়োএনটেকের টিকাটি করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় নির্দিষ্ট সময়সীমার সপ্তাহখানেক আগেই অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে
জার্মানি সরকার ইউরোপিয়ান মেডিসিন এজেন্সিকে (এমা) করোনার টিকা অনুমোদনের বিষয়ে চাপ দেওয়ার পরই এ খবর সামনে এসেছে। ফাইজার ও বায়োএনটেকের টিকাটি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে এরই মধ্যে অনুমোদন পেয়েছে। আগামী সোমবার এ টিকা অনুমোদনের বিষয়ে আলোচনা করবে।
জার্মানির নতুন লকডাউনের আওতায় জরুরি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুপারমার্কেট ও ব্যাংক খোলা থাকবে। রেস্তোরাঁ, পানশালা ও বিনোদনকেন্দ্রগুলো নভেম্বর থেকেই বন্ধ রয়েছে। জার্মানির কিছু এলাকায় স্থানীয়ভাবে লকডাউন আগে থেকেই চালু রয়েছে। এখন চুল কাটার দোকান, জনসম্মুখে অ্যালকোহল গ্রহণের মতো কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ চালানোর অনুমতি চাওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, করোনার বিস্তার ঠেকাতে বড়দিনের আগেই জার্মানির সঙ্গে অন্যান্য ইউরোপের দেশগুলো বিধিনিষেধ জারি করেছে। ফ্রান্সে আগে থেকেই রাতের বেলা কারফিউ জারি রয়েছে।