শিরোনাম :
বিএনপির সরকার মানুষের সেবক হয়ে কাজ করে যাবে : বগুড়া জেলা পরিষদ প্রশাসক জাকির অতীতে শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে: তারেক রহমান শাজাহানপুরে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত বগুড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মে দিবস পালিত বগুড়ায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন ৮ জেলায় বজ্রপাতে ১৫ জনের মৃত্যু নৈশভোজে হামলাকারীর ‘লক্ষ্যবস্তু’ ছিলেন ট্রাম্প স্ত্রীকে এক নজর দেখতে হুইল চেয়ারে ট্রাইব্রুনালে দিপু মনির স্বামী শাজাহানপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে পুষ্টি সচেতনতার আহ্বান শাজাহানপুরে জলিল বাহিনীর সহযোগী আটক

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান যুদ্ধ
সমঝোতার কথা বলল আর্মেনিয়া
রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট

নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের যুদ্ধ দশম দিনে পড়ল। এখনো পর্যন্ত যুদ্ধ থামার কোনো ইঙ্গিত মেলেনি।

 

আর্মেনিয়ার দাবি, বিতর্কিত নাগার্নো-কারাবাখের রাজধানী কার্যত ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে আজারবাইজানের সেনা। আজারবাইজানও আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলেছে। তবে এরই মধ্যে সামান্য আশার আলো দেখা গেছে।

 

মঙ্গলবার আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, আজারবাইজান চাইলে নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে পারস্পরিক সমঝোতায় আসার কথা ভাবা যেতে পারে।

 

অন্যদিকে ইরান ফের আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছে, যেভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী এই যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে, তাতে অচিরেই দুই দেশের লড়াই একটি আঞ্চলিক যুদ্ধে পরিণত হতে পারে।

 

ইরানের প্রেসিডেন্ট ফোনে কথা বলেছেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে। তিনি বলেছেন, বিভিন্ন দেশের নানা গোষ্ঠী এই যুদ্ধে অংশ নিয়েছে। ফলে যে কোনো সময় একটি আঞ্চলিক যুদ্ধ লেগে যেতে পারে। এবং তা ঘটলে গোটা অঞ্চলের শান্তি বিঘ্নিত হবে। ফলে দ্রুত সমাধানের রাস্তা খুঁজে বার করা দরকার।

 

এ দিকে মঙ্গলবার আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাশিয়ার সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের চুক্তি রয়েছে। যার ভিত্তিতে আর্মেনিয়ার প্রয়োজনে রাশিয়া তাদের সাহায্য করবে।

 

তিনি জানিয়েছেন, আজারবাইজান যুদ্ধ চালিয়ে গেলে রাশিয়া আর্মেনিয়াকে সাহায্য করবে এবং তার ফলে দেশের সীমান্ত সুরক্ষিত থাকবে বলেই তার বিশ্বাস।

 

তবে একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, আজারবাইজান চাইলে পারস্পরিক সমঝোতার কথা ভাবা যেতে পারে। বস্তুত, এই প্রথম সমঝোতার কথা বলা হলো।

 

কোন পথে সমঝোতা?

নাগার্নো-কারাবাখ আজারবাইজানের অংশ। কিন্তু সেখানে বসবাস করেন আর্মেনীয় মানুষ। আজারবাইজানের কর্তৃত্ব তারা মানেন না। তাদের পিছন থেকে সাহায্য করে আর্মেনিয়া। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকেই এই অঞ্চল নিয়ে আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে।

 

১৯৯২ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত নাগার্নো-কারাবাখ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছে। ৩০ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। ফলে নতুন করে সমঝোতা করতে হলে দুই দেশকে নিজেদের স্বার্থের সঙ্গে আপস করতে হবে। নাগার্নো-কারাবাখের স্বাধীন সরকারের বক্তব্যও এ ক্ষেত্রে জরুরি।

 

তবে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, যুদ্ধ থামাতে হলে সমঝোতার রাস্তায় যেতেই হবে দুইটি দেশকে। যেভাবে যুদ্ধের বিরুদ্ধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের উপর চাপ তৈরি করেছে, তাতে এ ছাড়া আপাতত তাদের আর কোনো উপায়ও নেই।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023