শিরোনাম :
পলাশবাড়িতে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০তম বর্ষ পালিত শাজাহানপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঝিরা ইউনিয়ন জামায়াতের লিফলেট বিতরণ শিবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষ্যে মহাস্থানে নিসচা’র সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ছোনকা বাজার আন্ডারপাসের দুই পাশে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, শোভাবর্ধন গাছ রোপণ শাজাহানপুরে মশা নিধন, পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বেতগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন শিবগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায়দের মাঝে ঢেউটিন বিতরণে গাবতলীতে ভিডিও কনফারেন্স’র মাধ্যমে কৃষক কার্ড বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়ায় জাতীয় কবি নজরুল এর ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

নীলেশ্বরীদের একটি কম্বল দরকার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় রবিবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২০

রংপুর প্রতিনিধি

উপজেলা সদর ইউনিয়নের গ্রাম ধামুর পাড়া। পাশে তিস্তা নদী। বাঁধের প্রায় একশ ফুট দূরে খাস জমির বাড়িতে বাস করেন আসামনী (৪৫)। স্বামী মারা গেছেন ৮ বছর আগে। দিনমজুরি ও ভিক্ষায় চলে তার জীবন ও জীবিকা। একে তীব্র শীত তার সঙ্গে ঠাণ্ডা বাতাস যোগ হয়ে নদী তীরবর্তী মানুষগুলো জবুথবু। হাতে কাগজ-কমল দেখেই চকচক করে উঠে আসমানীর চোখ। তীব্র শীতে যতোটা কষ্ট করছেন তার চেয়েও অনেক সরলভাবে বললেন- ‘মোর নামটা নেখো বাহে, মোক একনা কম্বল দেন।’ এ সময় আর্জি জানিয়ে রাখলেন বাঁধের ধারে আশ্রিত নিলেশ্বরী, বুলবুলি, দুলালী, বাচ্চানি, বিসাদী, খড়কু ,মিনারাসহ অনেকেই।

 

দফায় দফায় রংপুরে বাড়ছে শীতের প্রকোপ। তিস্তার চরাঞ্চল ও তিস্তা কূলবর্তী গ্রামসহ উপজেলা সর্বত্র নিম্ন আয়ের মানুষের অবস্থা চরমে। কাহিল জনজীবন। সকাল থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢাকা প্রকৃতি। সড়কে হেড জ্বালিয়ে যানবাহনগুলোকে চলতে দেখা যাচ্ছে। শীতের তীব্রতা বাড়ায় পুরনো কাপড়ের দোকানগুলোতে মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। এই সুযোগে দামও বেশি হাঁকা হচ্ছে। শীতের কবল থেকে রেহাই পাচ্ছেনা গবাদিপশু গুলোও। মর্নেয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক আলী আজাদ বলেন, তিস্তার চরাঞ্চলে সুবিধাবঞ্চিত শীতার্ত মানুষের অবস্থা করুন। এলাকায় ৫ হাজার কম্বল প্রয়োজন। উপজেলা থেকে ৪৬০ পিস কম্বল পেয়েছেন।

 

লক্ষ্মিটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, সরকারিভাবে যা দেওয়া হয়েছে তা খুবই সামান্য। জরুরি ভিত্তিতে আরও কম্বল প্রয়োজন। কোলকোন্দ ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন রাজু বলেন, অনেক চাহিদার বিপরীতে সরকারিভাবে মাত্র ৪৬০ পিস কম্বল পেয়েছি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে ৯ ইউনিয়নে মাত্র ৪৬০ পিস করে কম্বল দিয়েছে। আরও কম্বল চেয়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023