সং’ঘবদ্ধ ধ’র্ষ ণ কি স’ন্ত্রাস মোকাবিলার পথ: গাম্বিয়ার প্রশ্ন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯

আন্তর্জাতিক বিচার আ’দালতের শুনানিতে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি গণহ’ত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, রাখাইনে স’ন্ত্রাসবি’রোধী অ’ভিযান পরিচালিত হয়েছে। শুনানির তৃতীয় দিনে মা’মলার বা’দী গাম্বিয়া সেখানে সংঘটিত নারী নিপীড়নের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রশ্ন তুলেছে, সং’ঘবদ্ধ ধ’র্ষণ কি স’ন্ত্রাস মোকাবিলার পথ?

২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে রো’হিঙ্গাদের ওপর পূর্বপরিকল্পিত ও কাঠামোগত সহিং’সতা জো’রদার করে মিয়ানমার সে’নাবা’হিনী। হ’ত্যাকাণ্ড, সংঘবদ্ধ ধ’র্ষণ, ঘরবাড়িতে অ’গ্নিসংযোগের বাস্তবতায় জীবন বাঁচাতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে সাত লাখেরও বেশি রো’হিঙ্গা। এই নৃ’শংসতাকে ‘গণহ’ত্যা’ আখ্যা দিয়ে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর জাতিসংঘের আ’দালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) মা’মলা করে গাম্বিয়া।

মা’মলায় নিজ দেশের পক্ষে আইনি লড়াইয়ে নেমে শুনানির প্রথম দিন বুধবার সু চি দাবি করেন, গাম্বিয়ার দা’য়ের করা মা’মলায় রাখাইনের একটি খণ্ডিত ও বিভ্রান্তিকর চিত্র হাজির করা হয়েছে। সে’নাবা’হিনীর বি’রুদ্ধে গণহ’ত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। সু চি দাবি করেন, রাখাইনে আরসার মতো স’ন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বি’রুদ্ধে শুদ্ধি অ’ভিযান পরিচালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শুনানির শেষ দিনে গাম্বিয়ার আইনজীবী মিয়ানমারে সে’নাবা’হিনীর দ্বারা সংঘটিত সংঘবদ্ধ ধ’র্ষণের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রশ্ন তোলেন, এমন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কি স’ন্ত্রাস মোকাবিলা করতে হয়?

২০১৭ সালেই জাতিসংঘের অনুসন্ধানী দল তাদের অনুসন্ধানে জানিয়েছিল, রাখাইনে রো’হিঙ্গাদের ওপর সংঘবদ্ধ ধ’র্ষণকে জাতিগত নিধনের অ’স্ত্র বানিয়েছে মিয়ানমার। এরপর ২০১৮ সালে ওই অনুসন্ধানী দল পাঁচটি আলামত হাজির করে জানায়, রো’হিঙ্গাদের বিতাড়নে কাঠামোবদ্ধ যৌ’ন নিপীড়নকে ব্যবহার করেছে সে দেশের সে’নাবা’হিনী। একে গণহ’ত্যার আলামত আখ্যা দিয়েছিল তারা। পরবর্তীতে আরও একটি ঘটনাকে যুক্ত করে সংস্থাটির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন দৃঢ়ভাবে জানায়, গণহ’ত্যার উদ্দেশ্যেই সেখানে যৌ’ন নিপীড়নকে ব্যবহার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিচার প্রক্রিয়ার প্রথম দিনে বা’দীপক্ষের অভিযোগ শোনা হয়। দ্বিতীয় দিনে মিয়ানমারের হয়ে কথা বলেন সু চি। শুনানির শেষ দিনে (১২ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় দেড়ঘণ্টা বলার সুযোগ পায় গাম্বিয়া। বিরতির পর রাত সাড়ে ৯টা থেকে দেড়ঘণ্টা নিজেদের যুক্তি তুলে ধরবে মিয়ানমার।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023