বৃষ্টি কেটে যাওয়ার পর সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা বেশ কয়েক ডিগ্রি কমে ফের বেড়েছে শীতের তীব্রতা। বৃহস্পতিবার রাতেও তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। শুক্রবার রাত থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা বেড়ে শীত
গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ঠাকুরগাঁওয়ে আলুর দাম কেজিতে ২৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ১৪-১৫ দিন আগেও প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) আলু কৃষকরা বিক্রি করেছেন ২২৫০ থেকে ২৩০০ টাকায়। আর
তীব্র ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় উত্তরের জেলা দিনাজপুরে একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমে ৮ ডিগ্রিতে নেমেছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল নয়টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা বুধবার
কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে আবারও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ঘন কুয়াশার সঙ্গে হাড় কাঁপানো কনকনে ঠান্ডায় বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবী, ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ। গত দুইদিন তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও আজ
কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কনকনে ঠাণ্ডা আর তীব্র শীতের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হিমাঙ্কের পারদ ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরিফ বৃহস্পতিবার
পঞ্চগড়ে আজকে ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার প্রথম
পঞ্চগড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আবারও কমেছে। টানা পাঁচদিন ধরে সূর্যের দেখা নেই। সঙ্গে উত্তরের হিমশীতল বাতাসে বেড়েছে শীতের প্রকোপ। জনজীবনে দেখা দিয়েছে জবুথবু অবস্থা। রোববার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন ৮
হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডায় কুড়িগ্রামে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ। ঘন কুয়াশার দাপট কম থাকলেও দুইদিন থেকে সূর্যের দেখা নেই। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১
পঞ্চগড়ে ঘন কুয়াশার সঙ্গে কনকনে শীত জেঁকে বসেছে। টানা পাঁচ দিন মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের পর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অল্প বাড়লেও কমেছে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। সেই সঙ্গে উত্তরের হিমশীতল বাতাসে কনকনে
পঞ্চগড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও হাড় কাঁপানো শীত অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। এর আগে বুধবার