ফিলিস্তিনের শাসক গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের আকস্মিক হামলায় বিপর্যস্ত ইসরায়েল। হামলা-পাল্টা হামলায় দুই দেশে হতাহতের সংখ্যা বেড়েই
অর্থনীতিতে নোবেল জয় করলেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্লডিয়া গোল্ডিন। নারী শ্রম বাজারের ফলাফল সম্পর্কে জ্ঞানবৃদ্ধিতে অবদানের জন্য এই সম্মাননা পেলেন তিনি। সোমবার স্থানীয় সময় বিকাল পৌনে ৪টার দিকে সুইডেনের
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইসরাইলের সমর্থনে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমান পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন জানিয়েছেন, এরই মধ্যে বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস
গত শনিবার (৭ অক্টোবর) কয়েক হাজার রকেট লঞ্চারসহ ভারী অস্ত্র নিয়ে ইসরায়েলের মাটিতে হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। জবাবে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইসরায়েলও। এখন পর্যন্ত দুপক্ষের সংঘাত চলছেই।
পশ্চিম আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ‘এক হাজারের বেশি’ হয়েছে বলে জানিয়েছেন আফগান সরকারের এক মুখপাত্র। শনিবার (৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানে ৬
গাজা উপত্যকার পর এবার লেবানন থেকে হামলা হয়েছে ইসরায়েলে। জবাবে গোলা নিক্ষেপ করছে ইসরায়েলি বাহিনীও। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লেবানন থেকে ইসরায়েলের দিকে
আচমকা হামলা চালিয়ে ইসরায়েলকে পুরোপুরি চমকে দিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। আকাশ, মাটি, পানি- তিন দিক থেকেই একযোগে হামলা চালায় সশস্ত্র গোষ্ঠীটি। এতে এ পর্যন্ত ৩০০ ইসরায়েলি প্রাণ হারিয়েছেন। জবাবে,
ইসরায়েলের দিকে হামাসের মুহুর্মুহু রকেট হামলার পর অবরুদ্ধ গাজায় পাল্টা হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। হামলা-পাল্টা হামলার পর দুদেশেই যুদ্ধ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে গাজার বেসামরিক নাগরিকদের
দ্বিতীয় দিনে পা দিলো ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধ। এতে হামাসের হামলায় ইসরায়েলে মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছুঁয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি মিডিয়া। আর গাজায় ইসরায়েলিদের পাল্টা হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ২৫০ ফিলিস্তিনি। টাইমস অব
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্ব জুড়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছে কোটি কোটি শিশু। মূলত আবহাওয়ার বিপর্যয়ের জেরে সৃষ্ট বন্যা, খরা, ঝড় ও দাবানলে ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে ৪৩ দশমিক এক