শেষের দিকে ফাল্গুন মাস। তাপমাত্রা বেড়ে গরম পড়তে শুরু করেছে। তবে শেষ রাতে ফ্যান বন্ধ রাখতে হয়। যদিও রাতের তাপমাত্রা বাড়ছে ধীরে ধীরে। এদিকে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস
মাঘের শেষে এসে ফের দেখা মিললো বৃষ্টির। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সারাদেশেই বৃষ্টি হতে পারে। আবার সন্ধ্যা নাগাদ কেটে যেতে পারে মেঘ-বৃষ্টির এই অবস্থা। একই সঙ্গে শুক্রবার (১১ ফেব্রুয়ারি)
হুট করে সারা দেশে বৃষ্টি ও তা বিদায় নেওয়ার পরপরই সারা দেশে হাড়কাঁপানো শীত নেমেছে। বিশেষ করে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই তাপমাত্রার পারদ নামতে শুরু করেছে।দেশের আটটি জেলায় এরই মধ্যে
মাঘের শেষের দিকে এসে শুক্রবার বর্ষাকালের মতো বৃষ্টি ছিল দেশজুড়ে। শনিবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি থাকতে পারে। যদিও আগেই চলতি মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টির আভাস দিয়েছিল আবহাওয়া বিভাগ। বৃষ্টি
শৈত্যপ্রবাহ কেটে গিয়ে শীত আজ থেকেই কমতে শুরু করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরই মেধ্যে এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা প্রায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে। তবে শীত কমলেও তিন বিভাগের কিছু
সারা দেশে বিভিন্ন জেলার ওপর বয়ে যাওয়া মৃদু ও মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত এবং বিস্তার লাভ করতে পারে। এ ছাড়া রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। সেইসঙ্গে
দেশের বিভিন্ন জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শৈত্য প্রবাহ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বভাসে বলা
দেশের কয়েকটি বিভাগে বুধবার (২৬ জানুয়ারি) বৃষ্টি থাকতে পারে। তবে বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে মেঘ-বৃষ্টির প্রবণতা কেটে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। এর মধ্যে দেশের কোথাও কোথাও বেড়েছে তাপমাত্রা, আবার
মাঘ মাসের ১০ দিন পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখনও ‘বাঘ কাঁপানো’ শীত শুরু হয়নি। শীতের নির্মল আকাশের দেখা নেই। সারাদিনই আকাশের মুখ ভার। পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে ঝরেছে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টিও। আর
মেঘের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় ফের বাড়তে শুরু করেছে রাতের তাপমাত্রা। একই সঙ্গে দেশের খুলনা, বরিশাল এবং ঢাকা- দেশের এই তিন বিভাগে হালকা বৃষ্টির পূ্র্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। আগামী কয়েকদিন দেশজুড়েই