ইউক্রেনে চলমান রুশ সামরিক অভিযানের পেরিয়ে গেছে এক মাস। চলমান এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে আবারও তুরস্কে বৈঠকে বসতে চলেছেন দুই দেশের আলোচকরা। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইতোমধ্যেই দুই দেশের
মধ্য আমেরিকার দেশ এল সালভাদোরে মাদক পাচার গ্যাংয়ের সাথে জড়িত থাকার ঘটনায় একদিনেই খুন হয়েছেন ৬২ জন। এই ঘটনায় দেশটিতে এক মাসের জরুরী অবস্থা জারি করেছে পার্লামেন্ট। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডয়েচে
নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করে একটি শান্তি চুক্তির ব্যাপারে আলোচনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদোমির জেলেনস্কি। তবে তিনি বলেছেন, তার আগে কোন তৃতীয় পক্ষের নিশ্চয়তা থাকতে হবে এবং একটি
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা অব্যাহত রয়েছে। এখনো চলছে লড়াই। এর মাঝে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, শান্তি চুক্তির অংশ হিসাবে একটি নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ ইস্যুতে আলোচনা করতে প্রস্তুত ইউক্রেন। তবে তিনি
সমগ্র ইউক্রেন দখল করতে ব্যর্থ হয়ে রাশিয়া দেশটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করতে চাচ্ছে। ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান এমন দাবি করেছেন। এর আগে শুক্রবার রাশিয়ার শীর্ষ সামরিক কমান্ডার সের্গেই রুস্কয়
ইউক্রেনে হামলা করায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আর ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের এমন মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে ক্রেমলিন। বাইডেনের এই মন্তব্য সম্পর্কে এক প্রতিক্রিয়ায় ক্রেমলিনের মুখপাত্র
ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া জিতবে না এবং এর পর পুতিন আর ক্ষমতায় থাকতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বিবিসি ও আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পোল্যান্ডে দুই দিন
রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর অপারেশন বিভাগের প্রধান সের্গেই রুদস্কইকে বলেছেন, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের দোনবাস অঞ্চলের ‘পূর্ণ স্বাধীনতা’ নিশ্চিত করাই হবে এখন থেকে তার সেনাদের প্রধান লক্ষ্য। ইউক্রেনে সেনা অভিযানের এক মাসের মাথায়
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশ ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পরাশক্তি রাশিয়া। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোর থেকে এই অভিযান শুরু হয়। এরই মধ্যে শুক্রবার ৩০তম দিনে গড়িয়েছে রুশ অভিযান।
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার জেরে উদ্ভূত মানবিক সংকট নিরসনে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে এ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে বাংলাদেশ। ১৪০ ভোটে প্রস্তাবটি