মুক্তজমিন ডিজিটাল রিপোর্ট : টার্মিনাল থেকে সময়মতোই ছাড়ছে বাস। ঈদ করতে নির্বিঘ্নেই বাড়ির পথে রওনা হচ্ছেন বিভিন্ন রুটের যাত্রীরা। তবে, ময়মনসিংহ রুটের যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা। এই রুটে মহাসড়কের কিছু জায়গায় যানজট থাকায় দেরিতে পৌঁছাচ্ছে গাড়ি। বেসরকারি চাকরিজীবী নওরীন দিয়া। ময়মনসিংহ যাওয়ার উদ্দেশে মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছান ভোর ছয়টায়। সকাল ৯টা পেরিয়ে গেলেও বাসে উঠতে পারেননি তিনি। তার মতোই অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয় ময়মনসিংহ রুটের যাত্রীদের।
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কিছু জায়গায় যানজটের কারণে নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছাতে পারেনি বাসগুলো। তবে, এই রুট বাদে প্রায় সব জেলার যাত্রীরা বাস পেয়েছেন নির্দিষ্ট সময়েই। কল্যাণপুর, গাবতলী, মহাখালীসহ অন্যান্য টার্মিনালে যাত্রীর চাপ বাড়লেও ভোগান্তি ছিল না। কোনো কোনো কাউন্টারে যাত্রীও ছিল খুবই কম।
উত্তরের জেলা রাজশাহী, রংপুর, নাটোর, বগুড়াসহ কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, যশোর ও খুলনার টিকিট আগাম বিক্রি হওয়ায় ছিল না কোনো ঝক্কি-ঝামেলা। বাস কাউন্টারের কর্মীরা জানিয়েছেন, এবার ঈদের ছুটি লম্বা হওয়ায় যাত্রীরা বাড়ি যাওয়ার সময় পেয়েছেন। তাই, সেভাবে চাপ পড়েনি। এছাড়া, পদ্মাসেতুর কারণে নতুন বেশকিছু বাস কাউন্টার ও বাস সার্ভিস চালু হওয়ায় গাবতলী, মহাখালীর মতো টার্মিনালেও চাপ অনেকটাই কমেছে। তবে, গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে উত্তরবঙ্গগামী লেনে ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে তা অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছে। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে চন্দ্রা ত্রিমোড় থেকে চক্রবর্তী বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত যানযটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন ঈদে ঘরমুখো উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীরা।
পুলিশ জানায়, বিকেলের গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় ঈদে ঘরমুখো অতিরিক্ত যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। এতে সৃষ্টি হয় জটলা। পরে যানবাহনের সেই চাপ চক্রবর্তী বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছায়। এতে সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতা ৩ ঘণ্টার পর সড়কে যান চলাচল অনেকটা স্বাভাবিক রয়েছে। অন্যদিকে, সাভারের ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দিয়ে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।