শিরোনাম :
রাজনীতি আমাদের পেশা নয়, কর্তব্য হিসেবে গ্রহণ করছি : জামায়াত আমির কড়াইল বস্তির বাসিন্দাদের ফ্ল্যাট দেওয়ার আশ্বাস তারেক রহমানের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর গোটা পৃথিবীর এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত বগুড়ায় গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানে ভোক্তা অধিকারের অভিযান দশ হাজার জরিমানা বগুড়ায় আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল করতে ১০ দলীয় জোটের সভা শিবগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে চূড়ান্ত বৈধ প্রার্থী ৭ জন শিবগঞ্জে অবৈধ মাটি মহলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা শাজাহানপুরে মোটরসাইকেল-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত কিশোরের অবস্থা আশঙ্কাজনক

বগুড়ার সেই বিচারককে প্রত্যাহার

স্টাফ রির্পোটার,বগুড়া
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৩

বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের পা ধরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার অভিযোগে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রুবাইয়া ইয়াসমিনের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাকে বিচারিক কার্যক্রম থেকে প্রত্যাহার করে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আইন মন্ত্রণালয় এবং সুপ্রিম কোর্টের একাধিক সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানী গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধান বিচারপতির নির্দেশক্রমে বেগম রুবাইয়া ইয়াসমিনকে প্রত্যাহার করে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করে সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) মো. মিজানুর রহমানের স্বাক্ষরে সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

এদিকে, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, বিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক শিক্ষার্থী পর্যায়ক্রমে শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে থাকেন। গত সোমবার এক শিক্ষার্থীর শ্রেণিকক্ষ ঝাড়ু দেয়ার কথা থাকলেও নিজেকে বিচারকের মেয়ে পরিচয় দিয়ে সে ঝাড়ু দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এ নিয়ে অপর সহপাঠীদের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ঘটনার পর ওই মেয়ে আমাদের নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি করে পোস্ট দেয়। নিজে বিচারকের মেয়ে বলে সে ঝাড়ু দিতে পারবে না, আর আমরা নাকি বস্তির মেয়ে। এই ধরনের কথা সহপাঠীদের কী করে বলা যায়? ওই পোস্টের বিপরীতে পাল্টা উত্তর দেয় তার চার সহপাঠী। পরে বিচারক রুবাইয়া ইয়াসমিন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খাতুনের মাধ্যমে ওই চার শিক্ষার্থীর অভিভাবককে বিদ্যালয়ে ডেকে পাঠান।

অভিভাবকরা জানান, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে প্রধান শিক্ষক অভিভাবকদের ডেকে বিদ্যালয়ে আনেন। পরে প্রধান শিক্ষকের উপস্থিতিতে চার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে জেলে পাঠানোর হুমকি দেন বিচারক। এ সময় বিচারক অভিভাবকদের পা ধরে ক্ষমা চাইতেও বাধ্য করেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

তবে প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খাতুনের দাবি, ‘দুই অভিভাবক নিজে থেকে পা ধরে ক্ষমা চান। তাদের কেউ বাধ্য করেননি। পরে প্রধান শিক্ষকের উপস্থিতিতে অভিভাবকদের ডেকে পা ধরানোর ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে শিক্ষার্থীরা। তারা ক্লাস-পরীক্ষা বাদ দিয়ে সড়ক অবরোধ, মানববন্ধনসহ নানা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে। জেলা প্রশাসকের অনুরোধে ও বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাসে কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষার্থীরা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023