শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় প্রাণ গেল নিষ্পাপ ৬ শিশুর

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১

ডেস্ক রিপোর্ট

আফগানিস্তানে কাবুল বিমানবন্দরের পাশে যে বাড়িতে যুক্তরাষ্ট্রের ছোড়া বোমা আঘাত হানে সে বাড়িতেই হাস্যোজ্জলভাবে খেলছিল ছয় শিশু। এদের মধ্যে সবচেয়ে ছোটটির বয়স ছিল দুই বছর। তার নাম সুমায়া। সবচেয়ে বড় শিশুটির বয়স ১২ বছর। হঠাৎ পরিবারের চোখের সামনে বোমার আঘাতে প্রাণ যায় তাদের। ঐ হামলা থেকে ওই পরিবারের যারা প্রাণে বেঁচে গেছেন, তাদের মধ্যে চলছে এখন শোকের মাতম। খবর বিবিসির

রবিবার সন্ধ্যার ওই হামলায় নিহত দশ জনের সবাই একই পরিবারের। এর মধ্যে ছয়টি নিষ্পাপ শিশু। যাদের বয়স দুই থেকে বারো বছরের মধ্যে।

প্রাণ হারানো সর্বকনিষ্ঠ দুই বছর বয়সী কন্যাশিশুর বাবা এমাল আহমাদি এখন শোকে স্তব্ধ। তিনি বলেন, তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা দেশত্যাগ করে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। তারা ফোনের অপেক্ষায় ছিলেন।

কন্যাসহ পরিবারের অন্যদের চোখের সামনে এভাবে মারা যেতে দেখে তিনি শুধু বলছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র অন্যায় করেছে, অনেক বড় অন্যায় করেছে।’

যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে, বাড়িটির সামনে রাখা গাড়িতে ছিল বিস্ফোরক। গাড়িটি নিয়েই বিমানবন্দরে হামলা করতে চেয়েছিল আত্মঘাতী এক হামলাকারী। এমন তথ্যে গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

ওই হামলায় প্রাণ হারানোদের একজন নাসের। অথচ তিনি আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের হয়ে অনুবাদকের কাজ করেছেন দীর্ঘদিন।

তাদের এক আত্মীয় বলছেন, ‌‘এটা অন্যায়, এটা পাশবিক। ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই হামলা করা হয়েছে।’

হামলার পর ওই পাশের বাড়িতে থাকা একজন বলেন, ‘হামলায় ওই বাড়িটিতে আগুন ধরে গিয়েছিল। প্রতিবেশীরা সবাই মিলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেছেন।’

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাবুল বিমানবন্দরের বাইরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে ১৭০ জন আফগান ও ১৩ মার্কিন সেনার প্রাণহানি ঘটেছিল। সেদিনের ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস-কেপি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023