শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

মাজার-ই-শরিফও তালেবানের দখলে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২১

ডেস্ক রিপোর্ট

আফগান সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা দেশটির উত্তরাঞ্চলের সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ শহর মাজার-ই শরিফও দখল করে নিয়েছে তালেবান যোদ্ধারা। আফগান সরকারের এই শক্তিশালী ঘাঁটি দখল করে নেয়াটা তালেবানের জন্য একটি বড় অর্জন হিসেবেই দেখা হচ্ছে। মার্কিন নেতৃত্বাধীন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণার পর থেকেই আগ্রাসী হয়ে ওঠে তালেবান। একের পর এক শহর দখলের পর এখন তারা রাজধানী কাবুলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

 

মাত্র কয়েকদিন আগেই সেনা মহড়া পরিদর্শনে ওই শহরে গিয়েছিলেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি। তালেবান যোদ্ধারা ইতোমধ্যেই দেশের অধিকাংশ এলাকার দখল নিয়ে নিয়েছে। এখন শুধু কাবুলে হামলা চালিয়ে দখল করে নেয়া সময় ব্যাপার।

 

যুদ্ধ-সংঘাতে আফগানিস্তানে কয়েক লাখ মানুষ বাস্তুহারা হয়ে পড়েছে। অনেকেই নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন শহর থেকে পালিয়ে কাবুলে আশ্রয় নিয়েছেন। ইতোমধ্যেই পশ্চিমা দেশগুলো তাদের নাগরিকদের আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নিতে শুরু করেছে।

 

স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন বাল্খ প্রদেশের রাজধানী মাজার-ই-শরিফ বিনা লড়াইয়েই দখল করে নিয়েছে তালেবান। এটি আফগানিস্তানের চতুর্থ বৃহত্তম শহর।

 

বাল্খ শহরের আইনপ্রণেতা আবাস ইব্রাহিমজাদা সংবাদ সংস্থা এপিকে জানিয়েছেন প্রথমে সেনাবাহিনী আত্মসমর্পন করেছে। পরবর্তীতে সরকারপন্থি অন্যান্য বাহিনী এবং অন্যান্য মিলিশিয়ারাও আত্মসমর্পন করতে বাধ্য হয়েছে।

 

উজবেকিস্তান এবং তাজিকিস্তান সীমান্তের কাছে অবস্থিত মাজার-ই-শরিফ আফগানিস্তানের অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এর আগে ১৯৯০ সালে ওই শহর দখল করে নিয়েছিল তালেবান।

 

তালেবান এখন দেশের অর্ধেকের বেশি প্রাদেশিক রাজধানী দখল করে নিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর মধ্যে এখন শুধু রাজধানী কাবুলই সরকার বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023