ডেস্ক রিপোর্ট
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে রোহিঙ্গাদের দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এদিকে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত সেনাবাহিনী, র্যা ব, পুলিশ ও এপিবিএন সদস্য। তবে রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্কিত অনেকে সংঘর্ষিত ক্যাম্প এলাকা ছেড়ে অন্য ক্যাম্পে অবস্থান নিয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুতুপালং ক্যাম্প ১-এ রোহিঙ্গাদের দুগ্রুপ আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত চারজনের মৃতদেহ রাতে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। সংঘর্ষের ঘটনায় আনসার সদস্যসহ আহত ১৫ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. শামসুদ্দৌজা জানান, আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে কুতুপালং ক্যাম্পে নতুন ও পুরনো রোহিঙ্গাদের মধ্যে গত কয়েক দিন ধরে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
তারই ধারাবাহিকতা গত ৪, ৫ ও ৬ অক্টোবর সাত রোহিঙ্গা খুন হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে র্যা ব অভিযান চালিয়ে ৯ রোহিঙ্গা ডাকাতকে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করেছে। ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী, র্যা ব, পুলিশ, এপিবিএন সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করছে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় রাতে চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে একজনের গলাকাটা ও অপর তিনজন গুলিবিদ্ধ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনার পর পরই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।