স্টাফ রিপোর্টা
অবৈধভাবে ১ কোটি ২ লাখ ৬ হাজার ২৯৩ টাকার মুল্যের সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলায় বগুড়া-৭ (শাজাহানপুর-গাবতলী) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাবলু (৬৩) ও তার স্ত্রী বিউটি খাতুন (৫৫) এর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করা হয়েছে। দুদকের দাখলী অভিযোগপত্র বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত কর্তৃক গ্রহন করা হয়েছে। সেই সাথে ওই আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ও হুলিয়া জারীর আদেশ দেন, বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ মোঃ শাহজাহান কবির।
উল্লেখ্য, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) হতে বগুড়া-৭ (শাজাহানপুর-গাবতলী) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ রেজাউল করিম বাবলু ও তার স্ত্রী বিউটি খাতুনের বিরুদ্ধে পৃথক ভাবে তাদের সম্পদ বিবরনী দাখিলের জন্য নোটিশ জারি করা হয়। নোটিশ প্রাপ্তির পর মোঃ রেজাউল করিম বাবলু ও তার স্ত্রী বিউটি খাতুন পৃথক ভাবে তাদের সম্পদের বিবরনী দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয়ে দাখিল করেন। উক্ত সম্পদ বিবরনী দুদক প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে যাচাই ও অনুসন্ধান করে প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে দুদক জেলা কার্যালয় বগুড়ার তৎকালীন উপ পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে গত ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ জেলা কার্যালয়ে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে, দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি প্রথমে দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয়ের এডি তারিকুর রহমান, অন্যত্র বদলী হলে মামলাটির তদন্তভার এডি জাহিদুল আসলামের উপর অর্পন করা হয়। এডি জাহিদুল ইসলাম তদন্ত শেষে ওই আসামীদের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে জ্ঞাত আয় বর্হিভুতভাবে ১ কোটি ২ লাখ ৬ হাজার টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পাওয়ায় দুনীতি দমন কমিশন আইনে গত ডিসেম্বর মাসে সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ও হুলিয়া জারীর জন্য প্রার্থনা করা হয়। আসামী মোঃ রেজাউল করিম বাবলু শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিড়া ইউনিয়নের ডোমনপুকুর আকন্দ পাড়ার মৃত ময়েন উদ্দিন গোলবাগীর ছেলে।
এছাড়াও তথ্য গোপন করে জ্ঞাত আয় বর্হিভুতভাবে অবৈধ ৭৭ লাখ ৩৮ হাজার টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়েরকৃত অপর মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাবলুর বিরুদ্ধে দুদক কর্তৃক দাখিলী অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আভিযোগ আমলে গ্রহণ করে স্পেশাল জজ আদালত কর্তৃক আসামী বাবলুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ও হুলিয়া জারীর আদেশ দেয়া হয়েছে।