উল্লেখ্য, শনিবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যার পর রাজধানীর গুলশানের ৮৩ নম্বর রোড থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও বাগছাসের পাঁচ নেতাকর্মীকে চাঁদাবাজির অভিযোগে হাতেনাতে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন—ইব্রাহিম হোসেন মুন্না, মো. সাকাদাউন সিয়াম, সাদাব, জানে আলম অপু ও আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান (রিয়াদ)। পুলিশ জানায়, তারা ‘সমন্বয়ক’ পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজির চেষ্টা করছিলেন। বর্তমানে তারা গুলশান থানা হেফাজতে রয়েছেন।
২০২৪ সালের পহেলা জুলাই কোটা আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ৮ জুলাই সংগঠনটি ৬৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি ঘোষণা করে, যার মধ্যে ২৩ জন সমন্বয়ক ও ৪২ জন সহ-সমন্বয়ক ছিলেন। পরে কমিটি আরও বড় হয়।এক পর্যায়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ডাক দেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান।প্রতিষ্ঠার পর থেকে একাধিক সমন্বয়ককে এই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে দেখা গেছে। যাদের মধ্যে অন্যতম হলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এনসিপি নেতা সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। কয়েকজন নেতা এরই মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন। চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগ ওঠায় গ্রেপ্তারও হয়েছেন কয়েকজন। এ অবস্থায় সবশেষ রাজধানীর গুলশানে সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠার পর কেন্দ্রীয় কমিটি রেখে সব কমিটি স্থগিত হলো।