শিরোনাম :
১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ভিন্নমত প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিলেন তারেক রহমান আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাচন ইরানে হামলার প্রস্তুতি সম্পন্নের কাছাকাছি যুক্তরাষ্ট্র রাজনীতি আমাদের পেশা নয়, কর্তব্য হিসেবে গ্রহণ করছি : জামায়াত আমির

পাকিস্তান টিমের আক্রমণাত্মক মানসিকতা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫

মুক্তজমিন ডিজিটাল রিপোর্ট:বাংলাদেশকে হারিয়ে ঘরের মাঠে একটি দাপুটে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় দিয়ে মাইক হেসনের কোচিং যুগের সূচনা হয়েছে। এবার পাকিস্তানের সামনে প্রতিপক্ষ একই দক্ষিণ এশীয় দল (বাংলাদেশ)। তবে এবার তাদেরই মাঠে তিন ম্যাচের সিরিজে, শুরু হচ্ছে রবিবার থেকে। আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই ম্যাচগুলো হবে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে সালমান আলী আঘার নেতৃত্বাধীন দল বিশ্বকাপ শুরুর (ফেব্রুয়ারিতে) আগে ছয়টি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ এবং টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপসহ মোট ১৮টি ম্যাচ খেলবে।

মাইক হেসন এবং সালমান দু’জনেই দলের জন্য নতুন ধাঁচের এক ইতিবাচক মানসিকতা তুলে ধরেছেন, যা বাংলাদেশকে ঘরের মাঠে হারানো সিরিজে স্পষ্ট হয়েছে। পাকিস্তান এবার খেলছে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে- যা তাদের ঐতিহ্যগত ঝুঁকি এড়ানো কৌশল থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই পরিবর্তন কিছুটা সাফল্য এনেছে, তবে দ্রুত পরিবর্তিত টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে প্রতিযোগিতামূলক থাকতে কৌশল বদলের প্রয়োজন ছিলই। (অনলাইন ডন থেকে অনুবাদ)

তবে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার প্রস্তুতি নিলেও পাকিস্তান এখনও অতীতের বিষয়গুলো পেরোতে পারেনি। বাংলাদেশে যাত্রার আগে অধিনায়ক সালমানকে স্পষ্ট করে বলতে হয়েছে যে, তার পূর্বসূরি বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং শাহীন শাহ আফ্রিদি বিশ্বকাপ পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই থাকবেন। তবে প্রশ্ন থেকেই যায়- বাবর এবং রিজওয়ানের মতো ব্যাটাররা কীভাবে দলের এই নতুন ঝুঁকিপূর্ণ, আক্রমণাত্মক স্টাইলে মানিয়ে নেবেন?

হেসন বারবার বলেছেন, তিনি চান পাকিস্তান দল যেন ‘দেখতে ভালো লাগে’। বাংলাদেশের বিপক্ষে নির্বাচিত সব ব্যাটারেরই স্ট্রাইক রেট তুলনামূলক বেশি। এছাড়া, বিশ্বকাপের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় হবে বলে দলে বেশি স্পিনার ও স্পিন অলরাউন্ডার নেওয়ার দিকেও নজর দিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

অন্যদিকে, স্বাগতিক বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কায় টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে দারুণ ফর্মে আছে। ফলে পাকিস্তানের জন্য এটি হবে কঠিন চ্যালেঞ্জ, তবে নতুন কম্বিনেশন পরীক্ষা করারও সুযোগ। আশা করা হচ্ছে, পাকিস্তান ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে যেভাবে খেলেছিল, সেই ধারাবাহিকতাই বজায় রাখবে এবং বিশ্বকাপের আগে ভালোভাবে নিজেদের গড়ে তুলবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023