কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্দেশ বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে উল্টো নেতাকর্মীদের সাবেক এমপি মোশারফ বলছেন, তারেক রহমানকে তিনি প্রতি মাসে লন্ডনে খরচ পাঠান,তার টাকায় বগুড়া জেলা বিএনপি চলে এমনকি কেন্দ্রীয় বিএনপিকেও প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের টাকা দেন, তাই মোশারফের সিদ্ধান্তের বাইরে বিএনপির যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
ইতিমধ্যে বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীরা সাবেক এমপি মোশারফ হোসেনের মতো হাইব্রিডদের প্রতিহুত করতে মাঠে নামছে। ত্যাগী নেতাকর্মীরা প্রয়োজনে বুকের তাজা রক্ত দিবে কিন্তু হাইব্রিড বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়ন হতে দিবে না। এতে করে বিএনপির মধ্যে অভ্যন্তরীন কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছে। যে কোনো মূহর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে।
আগামী ৫ জুন বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। এই নির্বাচনে নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন রানা এলএলবির নিশ্চিত বিজয় ঠেকাতে মাঠে সক্রিয় এখন বিএনপির সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন ও তার অনুসারীরা। সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন দফায় দফায় বৈঠক করে আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল আশরাফ জিন্নাহর পক্ষে প্রকাশ্যে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন। এতে করে বিএনপির একটি বড় অংশ সাবেক এমপি মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন। বিএনপি দেশব্যাপি ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে নিরুৎসাহিত করলেও নন্দীগ্রাম উপজেলার চিত্র উল্টো। নন্দীগ্রামের সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন, সাধারন সম্পাদক বেলায়েত হোসেন আদর আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল আশরাফ জিন্নাহর নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়েছে। গত ৩০ মে দুপুরে পৌর শহরের মাজগ্রামে উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক বেলায়েত হোসেন আদরের বাড়িতে গোপন বৈঠক থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে জিন্নাহর টাকা বিতরণ করা হয়েছে বলে একটি নিভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে। সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেছেন বিএনপির নেতাকর্মীদের ভোট কেন্দ্রে আসতে হবে, না হলে নন্দীগ্রামে কেউ বিএনপি করতে পারবে না এবং কারো দলীয় পদও থাকবে না। এছাড়া নানা ধরনের হুমকি ধামকি অব্যাহত রেখেছে। অথচ ভোট কেন্দ্রে না আসার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্দেশ বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে উল্টো নেতাকর্মীদের বলছে (সাবেক এমপি মোশারফ) তারেক রহমানকে তিনি প্রতি মাসে লন্ডনে খরচ পাঠান, তার টাকায় বগুড়া জেলা বিএনপি চলে এমনকি কেন্দ্রীয় বিএনপিকেও নাকি প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে থাকেন। তাই নন্দীগ্রামের বিএনপি কিভাবে চলবে, সাবেক এমপি মোশারফ হোসেনই তা ঠিক করবেন। তার সিদ্ধান্তের বাইরে বিএনপির যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। স্থানীয় সূত্র জানায়, বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীরা এমপি মোশারফ হোসেনের এমন সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীরা সাবেক এমপি মোশারফ হোসেনের মতো হাইব্রিড বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রতিহত করতে মাঠে নামছে। বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীরা প্রয়োজনে বুকের তাজা রক্ত দিবে কিন্তু সাবেক এমপি মোশারফ হোসেনের মতো হাইব্রিড বিএনপির নেতাকর্মীদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন হতে দিবে না। এতে করে বিএনপির মধ্যে অভ্যন্তরীন কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছে। যে কোনো মূহর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে। এছাড়া সাবেক এমপি মোশারফ হোসেনের মতো হাইব্রিড বিএনপির নেতাকর্মীদের রাতে হোক আর দিনে হোক ঘেরাও দিয়ে গণধোলাইয়ের মাধ্যমে মুখোশ উম্মোচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীরা। বিএনপির স্থানীয় ত্যাগী নেতাকর্মীরা জানান, আমরা জাতীয় সংসদ ভোটসহ সকল ভোট বজন করেছি। বর্তমান সরকারকে বিএনপি মানে না এবং এই সরকারের অধীনে বিএনপি কোনো নির্বাচনে যাবেও না। সুতরাং মোশারফ হোসেনের মতো হাইব্রিড ও রাজনৈতিক ব্যবসায়ীকে নন্দীগ্রামের মাটিতে বিএনপিকে নিলামে তোলার জন্য চরম খেসারত দিতে হবে।