এ বিষয়ে আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় দুপচাঁচিয়া থানা চত্বরে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (আদমদীঘি সার্কেল) নাজরান রউফ ধান ক্ষেত থেকে উদ্ধারকৃত মালেক হত্যার রহস্য উন্মোচনসহ ৩ জনকে গ্রেফতারের বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং করেছেন।
লিখিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, দুপচাঁচিয়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের চ্যাঙ্গা গ্রামের মৃত হাসমত আলী হাসুর ছেলে কিশোর আব্দুল মালেক সরদার দুপচাঁচিয়া সিও অফিস বাসস্ট্যান্ড কাঁচা বাজারের মুরগির দোকানে কর্মচারী হিসাবে কাজ করে আসছিলো। তার সাথে গ্রেফতারকৃত তারই বড় ভাই চ্যাঙ্গা গ্রামের মৃত হাসমত আলী হাসুর ছেলে তারেক সরদার (১৯), একই গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে মোক্তার (২১) ও পাশ্ববর্তি আদমদীঘি উপজেলার মুরইল তালুকদারপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মাহবুব আলম (৩০) এর বিরোধ সৃষ্টি হয়। তারা গ্রামে মাদক সেবন, চুরি ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপরাধ জনিত কাজ করে আসছিলো। এ বিষয়ে তার বড় ভাই তারেককে এসব ঘটনায় জড়িত না হওয়ার সহ ওইসব অপরাধীর সাথে ওঠা বসা করতেও নিষেধ করে। এতে তার বড় ভাই তারেক ক্ষিপ্ত হয়ে নিহত মালেককে মারপিটও করে। নিহত মালেক বিষয়টি পুলিশকে অবগত করবে বলে হুমকি দিলে তারেক আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। তারেক অপর গ্রেফতারকৃত আসামি মাহবুব আলম ও মোক্তারকে ঘটনাটি জানালে তারা মোবাইল ছিনতাই সহ তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে এবং পরিকল্পিত ভাবে ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার রাতে মালেককে বাড়ি ফেরার পথে কৌশলে চ্যাঙ্গা গ্রামের মাঠের মধ্যে শ্যালো মেশিন ঘরের পাশে ধান ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে। এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল নিয়ে তারা পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃতরা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলেও প্রেস ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করা হয়। পুলিশ গ্রেফতারকৃতদেরকে আজ শনিবার বগুড়া কোর্ট হাজতে প্রেরণ করেছে।