বগুড়ার নন্দীগ্রাম মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ওসমান গণির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে। রোববার বগুড়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে এমন অভিযোগ করেন জৈনিক জরুল ইসলাম।
নজরুল ইসলাম সাংবাদিক সম্মেললে অভিযোগ করে বলেন, নন্দীগ্রাম মহিলা ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন একটি জায়গা আমি বহুদিন আগে ক্রয় করি। জমিটি দীর্ঘদিন ধরেই আমার ভোগদখলে আছে। সম্প্রতি জায়গাটিতে আমি ব্যবসায়ী কাজের উদ্যেশে ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করি। কাজ প্রায় শেষের দিকে। এমতাবস্থায় নন্দীগ্রাম মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ওসমান গণির নির্দেশে ওই কলেজের আরো বেশ কয়েকজন শিক্ষক আমার নির্মাণাধীন জায়গায় প্রবেশ করে ইটের দেয়াল ভাংচুর করেছেন। নির্মাণ কাজে বাঁধা দেয়া এবং দেয়াল ভাংচুরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আমাকে বলেন জায়গাটি নাকি কলেজের। অধ্যক্ষ জায়গাটি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রনালয় বরাবর দলিল করে দিয়েছেন। আমার ক্রয়কৃত জায়গা কিভাবে তিনি কলেজের নামে দলিল করে দিলেন সেই প্রশ্নে উত্তর দিতে পারেননি।
বিষয়টি নিয়ে অধ্যক্ষ ওসমান গণির সাথে কথা বললে তিনি বলেন, জায়গাটির পূর্বের মালিক একই দাগে কলেজ এবং নজরুল ইসলাম গংদের নামে দলিল করে দেন। আমরা কলেজ সরকারি করণের সময় দলিলমূলে শিক্ষা মন্ত্রনালয় বরাবর দলিল করে দিয়েছি। দাগের ভুল হওয়ায় জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য শিক্ষা মন্ত্রনালয়সহ স্থানীয় প্রশাসনের সম্পৃক্ততা প্রয়োজন। বিষয়টির সমাধানের জন্য আমি আন্তরিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আর তারা কলেজের শ্রেণি কক্ষের দেয়াল ঘেষে বাউন্ডারী দেয়ার ফলে কলেজের শ্রেণি কক্ষে অন্ধকার হয়ে পড়েছে। সেখানে বাতাস প্রবেশ করবে না। ফলে শিক্ষার্থীরা কাজে বাঁধা দিয়েছিলো। তিনি বিষয়টি সমাধানের জন্য হটকারিতা না করার জন্য অনুরোধ করেছেন। সমাধান কেবলমাত্র আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সম্ভব।