বগুড়ায় ১১ বছর পর ধর্ষণ মামলার রায়ে হায়দার আলী (৫২) নামের এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
সোমবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির এ ঘোষণা দেন। এ সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট পরিদর্শক সুব্রত ব্যানার্জি। দণ্ডপ্রাপ্ত হায়দার বগুড়ার গাবতলীর উপজেলার পদ্মপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (এসপিপি) আশেকুর রহমান সুজন বলেন, হায়দার আলী মাঝে মধ্যে প্রতিবেশী ওই ছাত্রীকে পড়াতেন। ২০১১ সালের ২৩ মে রাতে পড়ানোর কথা বলে হায়দার তাকে ধর্ষণ করেন। অন্য প্রতিবেশিরা টের পেলে হায়দার পালিয়ে যান। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা থানায় মামলা করেন। ঘটনা প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক হায়দারের যাবজ্জীবন সাজা দেন।