আমার স্বামী একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হয়ে দীর্ঘদিন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা কৃত মুক্তিযোদ্ধা মাসিক ভাতা নিয়মিত উত্তোলন করে আসিতেছি। হঠাৎ করে চলতি বছরে ফেব্রুয়ারি মাসে ব্যাংকে মাসিক ভাতা উত্তোলণ করিতে গিয়ে জানিতে পারি যে, আমার স্বামীর এম.আই.এস সিস্টেম-টাকা প্রদান বন্ধ করা হয়েছে। পরে আমি ইউএনও অফিস মারফৎ জানিতে পারি যে, আমার স্বামী বীর মুক্তিযোদ্ধা এ. এস. মাহমুদুল হাসান (শাহেদ) এর নামে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাচাই করা হইতেছে। তাদের যাচাই বাচাই অন্তে আমি জানিতে পারি যে আমার স্বামী বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.এস. মাহমুদুল হাসান (শাহেদ) কে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা হইতে প্রাথমিক ভাবে বাদ দেওয়া হইয়াছে।
২০০৫ সালে ১৪ মে শনিবারে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঘোষিত গেজেট পাশ করেন। গেজেটের বইয়ের পৃষ্ঠা নং-৩১৭০ ক্রমিক নং ১২২ তাং ১৪ মে ২০০৫ মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের ডাটা বেইজে সব তথ্য সঠিক রহিয়াছে। মুক্তিযোদ্ধা আই.ডি নং ০৫০১০১০২২৫ জাতীয় তালিকা নং- ৫৫ তাহার জন্ম তারিখ ৩০/০৮/১৯৪২ আরও উল্লেখ্য থাকে যে, বগুড়া জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আব্দুল হামিদ এবং বগুড়া জেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিট কমান্ড রুহুল আমিন বাবলু কর্তৃক আমার স্বামী বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.এস.মাহমুদুল হাসান (শাহেদ) কে ২৬/০১/২০০৬ সালে প্রকৃত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রত্যয়ন পত্রও প্রদান করেন।