শিরোনাম :
বিএনপির সরকার মানুষের সেবক হয়ে কাজ করে যাবে : বগুড়া জেলা পরিষদ প্রশাসক জাকির অতীতে শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে: তারেক রহমান শাজাহানপুরে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত বগুড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মে দিবস পালিত বগুড়ায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন ৮ জেলায় বজ্রপাতে ১৫ জনের মৃত্যু নৈশভোজে হামলাকারীর ‘লক্ষ্যবস্তু’ ছিলেন ট্রাম্প স্ত্রীকে এক নজর দেখতে হুইল চেয়ারে ট্রাইব্রুনালে দিপু মনির স্বামী শাজাহানপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালিতে পুষ্টি সচেতনতার আহ্বান শাজাহানপুরে জলিল বাহিনীর সহযোগী আটক

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি, ৯৬ অভিবাসন প্রত্যাশীর মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় সোমবার, ৪ এপ্রিল, ২০২২

লিবিয়া থেকে ইউরোপের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা একটি যাত্রীবোঝাই নৌকা ভূমধ্যসাগরে ডুবে গেছে। এ দুর্ঘটনায় ৯৬ অভিবাসন প্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি বার্তাসংস্থা এএফপি-কে নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, আলেগ্রিয়া-১ নামের একটি বাণিজ্যিক ট্যাঙ্কার শনিবার ভোরে ভূমধ্যসাগরে ভাসতে থাকা একটি লাইফ ভেলা থেকে চারজনকে জীবিত উদ্ধার করেছে।

আলেগ্রিয়া-১ এর বরাত দিয়ে এক টুইট বার্তায় এমএসএফ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত চারজন প্রায় একশ লোকের সঙ্গে একটি নৌকায় কমপক্ষে চারদিন সমুদ্রে ভাসছিলেন। তাদের জরুরি চিকিৎসা ও সুরক্ষা প্রয়োজন। আলেগ্রিয়া-১ ট্যাঙ্কারের লগবুক অনুযায়ী, এই নৌকাডুবির ঘটনায় প্রায় ৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

দাতব্য সংস্থাটি বলছে, লিবিয়া নিরাপদ দেশ নয়। দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া অভিবাসীদের এমন জায়গায় ফিরিয়ে দেয়া ঠিক হবে না যেখানে তারা আটক, নির্যাতন ও দুর্ব্যবহারের সম্মুখীন হবেন।

লিবিয়া থেকে সমুদ্রযাত্রায় অনুপযোগী ও যাত্রীবোঝাই উত্তরাভিমুখী জাহাজগুলো অধিকাংশ সময়ই ডুবে যায়। আবার, এসব নৌযানে থাকা অভিবাসীরা অনেকে আটক হয়ে আরও ভয়ঙ্কর নির্যাতনের সম্মুখীন হন।

সর্বশেষ এই ট্র্যাজেডির আগে, ইউএনএইচসিআর এ বছর ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় ৩৬৭ জনের মৃত্যু রেকর্ড করেছে। ২০২১ সালে এ ধরনের মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৪৮টি।

এদিকে, রোববার সর্বশেষ এ দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রতিক্রিয়াস্বরূপ জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনাররের (ইউএনএইচসিআর) প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্ডি টুইট করে বলেন, ইউরোপ উদারতার সহিত ইউক্রেন থেকে ৪০ লাখ শরণার্থীকে কার্যকরভাবে আশ্রয় দিয়ে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। এখন যদি অন্যান্য দেশের উদ্বাস্তু ও অভিবাসনপ্রত্যাশীরা ইউরোপে ঢুকতে চায়, তাহলে সেটি কিভাবে তাদের গ্রহণ করবে? বর্তমান সংকটাবস্থায় এটি জরুরিভাবে বিবেচনা করা উচিৎ।

=

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023