শিরোনাম :
স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ভিন্নমত প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিলেন তারেক রহমান

ফাস্টফুডের নামে শিশুদের মুখে যা তুলে দিচ্ছি

হেলথ ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০২২

ঢাকার বাজারে বেশি বিক্রি হয় এমন পাঁচটি বিক্রয়কেন্দ্র থেকে সংগৃহীত ফ্রেঞ্চ ফ্রাই এবং ফ্রায়েড চিকেনের নমুনায় ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া গেছে। সবকটি উপাদানই নির্ধারিত মাত্রার তুলনায় বহুগুণ ছিল। ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ে লবণ ছিল বেশি আর অনুমোদিত মাত্রার ৩ শতাংশের বেশি আর্সেনিক পাওয়া গেছে মুরগির লেগ পিস ও ব্রেস্ট পিসে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শহরের মানুষ বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে এসব ফাস্টফুড। আর এসব খাবার স্থূলতা এবং পরে অসংক্রামক রোগ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। খাদ্যে ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি (ফুড হ্যাজার্ড) নিয়ে পরিচালিত গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠানের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগ এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ও হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে করা এক গবেষণায় এ চিত্র উঠে আসে।

সোমবার (১৪ মার্চ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

বিভিন্ন ধরনের কোমল পানীয়, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ও ফ্রায়েড চিকেন এবং বিভিন্ন খাবারে লবণ, চিনি, স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ট্রান্সফ্যাট এবং ফ্যাট নিয়ে তিনটি গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। সেখানে জানানো হয়, প্রতিটি খাবারেই ক্ষতিকারক উপাদানের উপস্থিতি রয়েছে মাত্রাতিরিক্ত।

গবেষণায় পাওয়া গেছে, প্রায় তিন-চতুর্থাংশ পানীয়তে পিএইচ মাত্রা ছিল তিন-এর নিচে। যা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। আবার কোমল পানীয়ের তুলনায় এনার্জি ড্রিংকে ক্যাফেইনের মাত্রা বেশি ছিল। ক্যাফেইনের জন্য বিএসটিআই অনুমোদিত সর্বোচ্চ মাত্রা ১৪৫ পিপিএম হলেও এনার্জি ড্রিংকে পাওয়া গেছে ৩২১ দশমিক সাত পিপিএম।

এই গবেষণার প্রধান গবেষক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. খালেকুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বিশ্বজুড়েই ফাস্টফুডের তালিকার ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ও ফ্রায়েড চিকেনের অবস্থান শীর্ষে। বাংলাদেশেও ব্যতিক্রম নয়। বাংলাদেশের শিশু-কিশোরদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে এসব ফাস্টফুড। যে কারণে তাদের স্থূলতা বাড়ার পাশাপাশি পরে অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

১০০ গ্রাম ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ে যে পরিমাণ লবণ রয়েছে, তার চার প্যাকেট খেলেই প্রতিদিনকার নির্ধারিত লবণের মাত্রা পার হয়ে যায়। ১০০ গ্রামের লেগ পিস চিকেন আর ১২৫ গ্রাম ব্রেস্ট পিস চিকেনে দৈনিক অনুমোদিত মাত্রার ৩ শতাংশ বেশি আর্সেনিক রয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের (বিএমআরসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমীনসহ অন্যরা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023