ম্যাঙ্গো ট্রেনের মতো এবার কৃষি ট্রেন চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এই ট্রেনে শুধু মাত্র কৃষিজাত পণ্যের পরিবহন করা হবে। পাশাপাশি হিমায়িত পণ্য পরিবহনে থাকবে ফ্রিজিং সুবিধা। আগামী বছরের শেষে কৃষি এক্সপ্রেস সার্ভিস চালুর প্রত্যাশা জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। গতকাল সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে তিনি এ কথা জানান।
রেলমন্ত্রী বলেন, স্বল্প খরচে সহজেই কৃষক নিজেই তার উৎপাদিত পণ্য ঢাকার বাজারে বিক্রি করতে পারবেন। কৃষক লাভবান হওয়ার পাশাপাশি এতে সুদৃঢ় হবে গ্রামীণ অর্থনীতি।
দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি এখনো শতভাগই কৃষি ও কৃষি পণ্যের উপর নির্ভরশীল। বেশীর ভাগ কৃষকই তার উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করেন গ্রামীণ বাজারে। সেখান থেকে দুই তিন স্তরে মধ্যস্বত্বভোগীর হাত ঘুরে সেই পণ্য চলে যায় রাজধানীর বাজারে। ফলে ঢাকার বাজারে উচ্চদামে বিক্রি হলেও, বেশীরভাগ সময়ই ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন কৃষক।
কৃষক নিজে কিংবা মধ্যস্বত্বভোগী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ঢাকার বাজারে পণ্য বিক্রি করতে চাইলে সড়ক পথই একমাত্র ভরসা। এ পথের পরিবহন খরচে কুলিয়ে উঠতে পারে না তারা। কখনো কখনো দীর্ঘ যানজটের কবলে পড়ে নষ্ট হয় পঁচনশীল কৃষি পণ্য।
এমন বাস্তবতায় স্বল্প খরচে ট্রেনের মাধ্যমে মালামাল পরিবহনে দীর্ঘ দিনের দাবি প্রান্তিক চাষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের। চীন থেকে কেনা হচ্ছে ১২৫টি বিশেষ কোচ। থাকবে ফ্রিজিং সুবিধাও।
কৃষিপণ্যের হাব হবে রাজধানীর তেজগাঁও রেলস্টেশন, সেলক্ষ্যে কাজ করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।