শিরোনাম :
স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ভিন্নমত প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিলেন তারেক রহমান

২১ কেন্দ্রে প্রতিদিন ৪০ হাজার শিশু টিকা পাবে

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২১

স্কুল-কলেজে পাঠদান কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হয়েছে। এবার ব্যাপক পরিসরে স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনতে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, প্রতিদিন ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়া হবে। এ কার্যক্রম শুরু হতে পারে আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক।

তিনি বলেন, ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন টিকা দেওয়া হবে। আশা করছি আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে।

মাউশির মহাপরিচালক আরও বলেন, ঢাকা মহানগরীর স্কুল এবং কলেজ মিলিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে ৭৮৩টি। এখানে শিক্ষার্থী সংখ্যা ৬ লাখ ১৫ হাজার। আমরা এদের প্রথম ধাপে টিকার আওতায় আনবো। এ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। যেখানে শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার জন্য ২০০টি বুথ থাকবে।

কোন প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম শুরু হবে এমন প্রশ্নে গোলাম ফারুক বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা চূড়ান্ত করার পর তারা যেন সুরক্ষা অ্যাপসে রেজিস্ট্রেশন করতে পারে, সে বিষয়ে মাউশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এরপর আমরা স্কুল অনুযায়ী তারিখ নির্ধারণ করে দেবো যেন সুশৃঙ্খলভাবে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

দেশের ২১টি পয়েন্টে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা আছে জানিয়ে অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, ঢাকা মহানগরীর টিকাদান কার্যক্রম শেষ হলে পরে দেশের ২১টি পয়েন্টে এ কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা টিকাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সব শিক্ষার্থীকে সমান গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আশা করছি টিকার প্রাপ্যতা নিয়ে সংকট হবে না।

বেশিরভাগ শিক্ষার্থী টিকার আওতায় এলেই জানুয়ারি থেকে স্কুল-কলেজে স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান মাউশি মহাপরিচালক।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023