শিরোনাম :
সাজেকে ইউপিডিএফ ৩০-৪০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে: আইএসপিআর মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, সমাবেশ ও আলোচনা জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে রিক্সা ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের লিফলেট বিতরণ জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে শিবগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ পলাশবাড়িতে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০তম বর্ষ পালিত শাজাহানপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঝিরা ইউনিয়ন জামায়াতের লিফলেট বিতরণ শিবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষ্যে মহাস্থানে নিসচা’র সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ছোনকা বাজার আন্ডারপাসের দুই পাশে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, শোভাবর্ধন গাছ রোপণ

দিনাজপুরে শিশু হত্যায় একজনের যাবজ্জীবন

মুক্তজমিন ডেস্ক
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১

দিনাজপুরে অপহরণের পর মুক্তিপণ না পেয়ে চার বছরের শিশুকে হত্যার দায়ে একজনকে যাবজ্জীবন ও দুই জনকে তিন বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে দিনাজপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক জ্যেষ্ঠ জেলা জজ শরীফ উদ্দিন আহমেদ এই রায় ঘোষণা করেন। এ ছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেল এবং বাকি দুই আসামিকে তিন হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হলেন—হাকিমপুর উপজেলার মুহাড়াপাড়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে আব্দুস সালাম ওরফে সামিউল (২৫)। অন্যরা হলেন—সামিউলের বাবা আমজাদ হোসেন (৫৫) ও মা ছানোয়ারা বেগম (৪৫)।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১১ এপ্রিল মুহাড়াপাড়া গ্রামের মামুনুর রশিদ আজাদের ছেলে আবতাহী আল রশিদকে অপহরণ করে মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে শিশুটির বাবা হাকিমপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ আজাদ বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করেন। পুলিশ প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামি সামিউলকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদে টিভি সিরিয়াল ক্রাইম পেট্রোল দেখে দ্রুত বড়লোক হতে শিশু অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি ও হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দি করে ঘরের ছাদে গুম করে রাখার বিষয়টি স্বীকার করেন সামিউল।

স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ওই ছাদ থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় মামুনুর রশিদ বাদী হয়ে হাকিমপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলাটি বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এই রায় দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তৈয়বা বেগম বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে হত্যার বিষয়টি প্রমাণ হয়েছে। আমাদের চেষ্টা স্বার্থক। এই রায়ে আমরা খুশি।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিশুটির বাবা মামুনুর রশিদ আজাদ। তিনি বলেন, এমন রায়ের ফলে অন্য কেউ আর এমন অপরাধ করতে সাহস পাবে না। আর কোনও মা-বাবাও সন্তানহারা হবে না।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023