শিরোনাম :
পলাশবাড়িতে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০তম বর্ষ পালিত শাজাহানপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঝিরা ইউনিয়ন জামায়াতের লিফলেট বিতরণ শিবগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষ্যে মহাস্থানে নিসচা’র সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ছোনকা বাজার আন্ডারপাসের দুই পাশে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ, শোভাবর্ধন গাছ রোপণ শাজাহানপুরে মশা নিধন, পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বেতগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন শিবগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায়দের মাঝে ঢেউটিন বিতরণে গাবতলীতে ভিডিও কনফারেন্স’র মাধ্যমে কৃষক কার্ড বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়ায় জাতীয় কবি নজরুল এর ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে ৩২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের অনিশ্চয়তা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া

আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা আসলেও ৩২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে বন্যার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় উপজেলার ৩২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আংশিক নিমজ্জিত রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানগুলোতে পানি ওঠার কারণে পাঠদানের অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে।

বন্যার পানিতে উপজেলার ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ৩০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এখনও আংশিকভাবে পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিজামউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়টি এখন পানিতে নিমজ্জিত। বিদ্যালয়টির ৩ তলা ভবনের নিচের তলা এখনো পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। বিদ্যালয়ের মাঠে এখন অথৈ পানি। প্রতিষ্ঠানটির চারপাশও পানিতে তলিয়ে আছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক বলেছেন এটিকে অন্যত্র স্থানান্তরের জন্য কাজ চলছে।
অপর মাধ্যমিক বিদ্যালয় হলো উত্তর টেংরাকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়। এসব মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক রয়েছে ২৫ জন এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৯ শত জন। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস হতে বলা হয়েছে পানি যেহেতু দ্রুত কমছে তাই কয়েকদিনেই প্রতিষ্ঠান হতে পানি নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সারিয়াকান্দি উপজেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য মতে, উপজেলার ৩০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্য ২টি প্রতিষ্ঠান যমুনা গর্ভে বিলীন হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ভাঙ্গরগাছা এবং মানিকদাইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দুটি সম্পূর্ণ যমুনায় বিলীন হয়ে যাওয়ায় এগুলো অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। বিদ্যালয় দুটি অন্যত্র স্থানান্তর করতে সম্ভাব্য খরচের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৬ লক্ষ টাকা।

এসব প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক রয়েছে ১২৫ জন। অধ্যয়নরত ছাত্র ছাত্রীদের সংখ্যা ৩ হাজার ৪ শত ৯০ জন। ৩০ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫৪ টি ভবন এখন পানিতে আংশিকভাবে নিমজ্জিত। এসব বিদ্যালয়ের ক্ষতিগ্রস্ত মেঝে, দেওয়াল এবং মাঠ মেরামতের জন্য সম্ভাব্য খরচের পরিমাণ ধরা হয়েছে ১৬ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা।

সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাসেল মিয়া জানিয়েছেন, বিদ্যালয়গুলোর আশেপাশে কোন উঁচু স্থান পাওয়া গেলে সেখানে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023