শিরোনাম :
১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, কে পেলেন কোন দায়িত্ব ইরানে শিগগির ট্রাম্পের হামলার ইঙ্গিত সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ভিন্নমত প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

বিচারক পিতা আগ্নেয়াস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন দুই শিশু পুত্রকে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

ডেস্ক রিপোর্ট
দুই শিশু পুত্রকে আগ্নেয়াস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন বিচারক পিতা। এমন একটি ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তিনি সিনিয়র সহকারী জজ জাহিদুল ইসলাম জুয়েল বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন।

৬ মিনিট ৩৫ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, বনের ভেতর দুই শিশু পুত্রকে একটি পিস্তল চালনা প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পিতা। নদীর ধার ঘেষে বনের বিভিন্ন স্থানে কয়েক দফা দুই সন্তানকে নিজে অস্ত্র চালানা প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। এ সময় একজন সকল কর্মকাণ্ড ভিডিও করছিলেন।

এ সময় দেখা যায়, পিস্তল হাতে শিশুপুত্র। পেছনে দাঁড়িয়ে বিচারক পিতা। তিনি ছেলেকে শেখাচ্ছেন ট্রিগার চাপার কৌশল। ছেলেও একের পর এক ছুড়ছেন গুলি। বিকট শব্দে কেঁপে উঠছে চারপাশ।

এ বিষয়ে বিচারক জাহিদুল ইসলাম জুয়েল যুগান্তরকে বলেন, এ ঘটনায় পারিবারিক লোকজন জড়িত। পারিবারিক দ্বন্দ্ব থেকেই নিয়াজ মাহমুদ নামে একজন আমাকে বিপাকে ফেলতে ভিডিওটি নতুন করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। আমার বড় বোন তার প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করার কারণে সে আমাদের পরিবারের ওপর ক্ষুব্ধ। সে রাষ্ট্র, আওয়ামী লীগকে নিয়ে অনেক আজে-বাজে কথা বলেন, সেফুদা’র মতো।

তিনি জানান, ভিডিওটি ২০১৬ সালের দিকের। সে সময় আমি সুন্দরবনে ছিলাম। তখন বাচ্চারা শখ করে এক/দুই দিন করেছে। কোনো খারাপ উদ্দেশ্যে নয়, এই ধরেন গাছকে এইম করে গুলি করা এই আরকি। আমি ডিউটিকালীন সময়ে ঘুমিয়ে গেলে আমার সহকর্মীরা পিস্তল নিয়ে ডিউটি করত, এটা কোনো অপরাধ নয়। কয়রায় ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালীন সুন্দরবনের বনদস্যু ও ডাকাতদের হটাতে গুলি চালাতে হত।

তিনি বলেন, ‘এটা খুব সহজ জিনিস, কিন্তু উনি (নিয়াজ মাহবুব) পারিবারিক দেখাদেখির মানে দেখে নেব- এই মনমানসিকতা থেকে নেগেটিভভাবে উপস্থাপন করেছেন।’

শিশুদের হাতে বন্দুক তুলে দেওয়া ঠিক ছিল কি না জানতে চাইলে জুয়েল বলেন, ‘তখন তো বন্ধুবান্ধব আমরা এমনি ফায়ার করতাম। একটা গাছ টার্গেট করে ফায়ার করতাম, আমার যেহেতু অস্ত্র আছে দুইটা, আমার ওয়াইফ ও আমার ছেলেমেয়েরা একটু শিখত। শ্যুটিং একটা স্পোর্টস। এরা এখন থেকে শিখলে এটা ঠিক হবে, এটুকুই।

বাচ্চাদের আগ্নেয়াস্ত্র চালনা শেখানো নৈতিকভাবে কতটুকু ঠিক এমন প্রশ্নের জবাবে ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদুল ইসলাম বলেন, এটা বাচ্চারা শখ করে করেছে। তবে এটা করা ঠিক হয়নি। সেজন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023