শিরোনাম :
রাজনীতি আমাদের পেশা নয়, কর্তব্য হিসেবে গ্রহণ করছি : জামায়াত আমির কড়াইল বস্তির বাসিন্দাদের ফ্ল্যাট দেওয়ার আশ্বাস তারেক রহমানের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর গোটা পৃথিবীর এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত বগুড়ায় গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানে ভোক্তা অধিকারের অভিযান দশ হাজার জরিমানা বগুড়ায় আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল করতে ১০ দলীয় জোটের সভা শিবগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে চূড়ান্ত বৈধ প্রার্থী ৭ জন শিবগঞ্জে অবৈধ মাটি মহলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা শাজাহানপুরে মোটরসাইকেল-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত কিশোরের অবস্থা আশঙ্কাজনক

পদ্মায় কমছে পানি, বাড়ছে ভাঙন আতঙ্ক

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০২১

মুক্তজমিন ডেস্ক

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পদ্মার পানি কমতে শুরু করলেও পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। একই সঙ্গে নদীভাঙন নিয়ে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। পদ্মার পানি কমলেও এখনও শিবগঞ্জ উপজেলার নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল নিমজ্জিত হয়ে আছে। দুর্ভোগে রয়েছেন এসব এলাকার পানিবন্দি মানুষ।

পানি কমতে শুরু করায় স্থানীয়দের মধ্যে নদীভাঙন নিয়ে শঙ্কা জেগেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, পদ্মায় পানি কমছে। পানি কমার সময়ে নদীভাঙন অনেকটাই স্বাভাবিক।

শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়ন বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া দুর্লভপুর ও উজিরপুর ইউনিয়নের বৃষকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। নদীতীরের বাসিন্দারা বলছেন, গত কয়েক দিন থেকে পানি কমছে। আবার যে বাড়বে না তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। পানি নদীপাড়ের নিচে নামলে, আবার ভাঙন দেখা দেবে।

এদিকে শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, শিবগঞ্জ উপজেলায় আনুমানিক এক হাজার ২০০ হেক্টর জমির ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে পাঁকা ইউনিয়নে বেশি ক্ষতি হয়েছে। আর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুর্লভপুর ও উজিরপুর ইউনিয়নে। এসব এলাকায় আউশ ধান, শাকসবজি আর মসলাজাতীয় ফসলের জমি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ময়েজ উদ্দিন জানান, পদ্মার নদীর পানি দ্রুত কমছে। তবে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের আশঙ্কা আছে। আমাদের পর্যবেক্ষণে আছে। এর আগে যে কয়েকটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছিল এখন সেখানে আর ভাঙছে না। আমরা বালির বস্তা ফেলছি।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা থেকে আমাদের পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডিজাইন টিম এসেছিল। তারা নদীর গতিপ্রকৃতি ও ভাঙনের বিষয়গুলো দেখে গেছে। তারা নদী তীর সংরক্ষণের জন্য কী করা উচিত; এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিলে সে আলোকেই আগামীতে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023