কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দী ২৫ হাজার মানুষ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২১

মুক্তজমিন ডেস্ক

অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বেড়ে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। শনিবার বিকাল ৩টায় স্থানীয় পাউবোর তথ্যমতে, ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার এবং ব্রহ্মপূত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ফলে বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। পানি বেড়ে যাওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। পানিবন্দী হয়েছে বিভিন্ন চর ও দ্বীপচরের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ। চর ও নিম্নাঞ্চলের বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করায় লোকজন বিপাকে পড়েছেন।

চলতি বন্যায় ইতোমধ্যে ১০ হাজার ৯৫ হেক্টর রোপা আমন, বীজতলা ও শাক-সবজি তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার গ্রামীণ সড়কগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ায় ঘরে বন্দী রয়েছেন অনেকেই।

উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন জানান, ব্রহ্মপূত্র নদে পানি বেড়ে যাওয়ায় তার ইউনিয়নে দেড় হাজার বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে চর গুজিমারীতে ৪ শতাধিক, দাগারকুটিতে ৪ শতাধিক, গাবুরজানে ৩ শতাধিক, বাবুর চরে ২ শতাধিক এবং নয়াডারায় ২ শতাধিক পরিবার রয়েছে। এরকম অনেক মানুষের এখন বন্যায় ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা।

কুড়িগ্রাম জেলা কৃষিবিভাগের উপ-পরিচালক মঞ্জুরুল হক জানান, চলতি বন্যায় জেলায় ১০ হাজার ৯৫ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে রোপা আমন ৯ হাজার ৯৪৫ হেক্টর, শাক-সবজি ১৩০ হেক্টর এবং বীজতলা ২০ হেক্টর।

এদিকে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, সব উপজেলায় বন্যার্তদের সহায়তায় নগদ ১২ লাখ টাকা এবং ২৮০ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হলে তা আজ থেকে বিতরণ শুরু হয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023