সোনাতলা(বগুড়া) প্রতিনিধি
বগুড়ার সোনাতলায় অপহরণ মামলার ঘটনায় আসামীরা দীর্ঘ পাঁচমাস বাড়িতে না থাকার সুবাদে ঘরের জিনিষপত্র চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে আসামী পক্ষরা। ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা গ্রামে। এ বিষয়ে মামলার আসামী জহরুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ পাঁচমাস পর বাড়িতে এসে দেখতে পাই আমাদের তিনটি পরিবারে সমস্ত ঘরে তালাবদ্ধ। তালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে দেখতে পাই আমার এবং আমার ছোট দুইভাইয়ের ঘরের আসবাবপত্রসহ গরু ছাগল চুরি হয়ে গেছে। জহুরুল ইসলাম উদ্দেশ্য করে বলেন মামলার বাদী রফিকুল ইসলামের লোকজন জনই এই চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। শুধু তাইনয় আমার ভাতিজি আশামনি তার পড়ার বইপুস্তুক নেওয়ার বাড়িতে যায়। সেই বইতো নিতে দেইনি উল্টো বাদীর স্ত্রী সাবানা বেগম মারপিট করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। তিনি আরও জানান চুরির বিষয়টি তাৎক্ষনাত মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ওই এলাকার ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে অবগত করেন।
এঘটনায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান অসীম কুমার জৈন নতুনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, বিষয়টি শুনেছি ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যদের দিয়ে তদন্ত করা হবে।
এবিষয়ে মামলার বাদি রফিকুল ইসলামের স্ত্রীকে সাবানা বেগমের কাছে চুরির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, জহুরুল ইসলামের বোন মেরিনা বেগম দিনের বেলা গরুছাগলসহ ঘরের আসবাবপত্র নিয়ে যায়।
উল্লেখ্য গত ৩মার্চ/২১ তারিখে উপজেলার জহুরুল ইসলামের ছেলে ওয়ারেছ ও পার্শ্ববর্তি রফিকুল ইসলামের মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্কের কারণে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। মেয়ের বাবা রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে জহুরুল ইসলামের ছেলে ওয়ারেছকে প্রধান আসামীসহ ৫জনকে অভিযুক্ত করে ৬ মার্চ সোনাতলা থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। এঘটনায় সোনাতলা থানা পুলিশ ২১ জুলাই মেয়েটিকে উদ্ধার করে তার বাবা-মার কাছে তুলে দেন। মামলার প্রধান আসামী ওয়ারেছকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। ১৮ আগষ্ট আদালতে জামিন পেয়ে ২০ আগষ্ট শুক্রবার সকালে আসামীরা তাদের বাড়িতে আসে।
সোনাতলা থানা অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজার কাছে চুরির অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান এবিষয়ে কেউ থানায় অভিযোগ দিতে আসেনি।