ডেস্ক রিপোর্ট
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ভাসানচর থেকে পালিয়ে যাওয়ার কালে বঙ্গোপসাগরে রোহিঙ্গা বোঝাই কাঠের নৌকা ডুবির ঘটনায় মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) আরো ৭ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে গত তিন দিনে ১১ জন রোহিঙ্গা শরনার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
তাদের মধ্যে এক শিশু ও তিন মহিলার পরিচয় জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম।
পুলিশ সুপার আরো জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভাসানচর থেকে ১৫-২০ কিলোমিটার পূর্বে চট্টগ্রাম জেলার বঙ্গোপসাগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নৌকাটিতে ৩০-৪০ জন রোহিঙ্গা ছিল। পরদিন শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত ১৫ জন রোহিঙ্গা জীবিত উদ্ধার হয়েছে। রবিবার সকাল থেকে ডুবে যাওয়া কাঠের বোটটির অবস্থান সনাক্ত করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার ও বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর জাহাজ বঙ্গোপসাগর এলাকায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনা শুরু করে।
নানা অজুহাতে ভাসানচর থেকে পালাচ্ছে রোহিঙ্গারা
এ দিকে ভাসানচর থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম মঙ্গলবার সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে জানিয়েছেন, উদ্ধাকৃত ১১ জনের মধ্যে রবিবার ও সোমবার উদ্ধারকৃত এক শিশু ও তিন মহিলার পরিচয় সনাক্ত করা গেছে। উদ্ধারকৃত ৭ জনের লাশ নিয়ে উদ্ধারকারী দল ভাসানচরের পথে রয়েছে বলে ওসি জানান। তবে ধারণা করা হচ্ছে এখনো আরো ১৪-১৫ জন রেহিঙ্গা নিখোঁজ রয়েছে।