ডেস্ক রিপোর্ট
কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় রেমডেসিভির’র ব্যবহার বন্ধের পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। শুক্রবার সংস্থাটি এ পরামর্শ দেয়। খবর রয়টার্স
তাদের দিকনির্দেশনায় বলা হয়, ডব্লিউএইচও এর প্যানেল রেমডেসিভির ব্যবহারে রোগীর মৃত্যুর ঝুঁকি কমা, ভেন্টিলেশনের প্রয়োজন হ্রাস, চিকিৎসায় দ্রুত সুস্থ হওয়া বা এ সংক্রান্ত কোনো সুবিধা হওয়ার যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
গত মাসে রেমডেসিভিরের প্রভাব নিয়ে একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের বিষয়ে নিজেদের অভিমত প্রকাশ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষকরা জানান, তাদের গবেষণায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের হাসপাতালে অবস্থানের সময় কমানো বা মৃত্যু ঠেকাতে ওষুধগুলো সামান্যই প্রভাব রেখেছে বা কোনো প্রভাবই ফেলতে পারেনি।
বিশ্বের ৩০টির বেশি দেশের ১১ হাজার ২৬৬ জন রোগীর উপর ওই ট্রায়াল চালানো হয়েছে।
ওই ট্রায়ালে যুক্তরাষ্ট্রের গিলিয়াড সায়েন্সেস ইনকর্পোরেশন উৎপাদিত রেমডেসিভির ছাড়াও হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন, এইডস নিরোধী লোপিনাভির/রিটোনাভির এবং ইন্টারফেরনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়।
তবে এর প্রতিক্রিয়ায় গিলিয়াড কর্তৃপক্ষ বলেন, সারা বিশ্বে ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণে কাজ করা নামী সংস্থা হাসপাতালে ভর্তি কোভিড-১৯ আক্রান্তদের চিকিৎসায় আমাদের ভেকলুরিকে (গিলিয়াডের তৈরি রেমডেসিভিরের ব্র্যান্ড নাম) মানসম্পন্ন চিকিৎসার ব্যবস্থা বলে স্বীকৃতি দিয়েছে। ডব্লিউএইচও এর এই দিকনির্দেশনায় আমরা খুবই হতাশ। সংস্থাটি অন্যান্য ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার সব প্রমাণ অগ্রাহ্য করছে।
গত এপ্রিলে রেমডেসিভিরের সহায়ক ভূমিকার ‘সুস্পষ্ট’ প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি করে যুক্তরাষ্ট্র। পরে মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) থেকে জরুরি অনুমোদন পায় রেমডেসিভির। এরপর থেকে কোভিড-১৯ রোগীর চিকিৎসায় ব্যবহার শুরু হয় এই ওষুধের।