শিরোনাম :
সরকার ১ কোটি বেকারের হাতে কাজ নয় চাঁদাবাজির চাবি তুলে দিয়েছে : ডা. শফিকুর রহমান গাজীপুরে আগুনে, ৪৫টি ঘর পুড়ে ছাই মিরপুর-বাড্ডায় ৩ বাসে আগুন, যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণ রাজধানীতে একাধিক বাসে আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ একনেকে তিন মেট্রোরেল ও ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন ফ্যাসিস্ট আ”লীগের পথেই হাঁটছে বিএনপি : এটিএম আজহারুল ইসলাম বগুড়ায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন আরজেএফ চেয়ারম্যানের খিলগাঁওয়ের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, অভিযোগ পেয়ে তদন্তে পুলিশ শেরপুরে একই রাতে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মন্দিরে চুরি শিবগঞ্জের আটমূল ইউনিয়ন পরিদর্শন করেন রাজশাহী বিভাগের স্থানীয় সরকার পরিচালক

‘সেকেন্ড ওয়েভ’ মোকাবেলায় বাংলাদেশের প্রস্তুতি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

হেল্থ ডেস্ক

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন শীত মৌসুমে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ বা ‘সেকেন্ড ওয়েভের’ আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছেনা – এটা বিবেচনায় নিয়েই দ্বিতীয় দফা সংক্রমণ মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হচ্ছে। কিন্তু কি ধরণের প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হচ্ছে সেটি পরিষ্কার করে বলেননি স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

 

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এ বিষয়টি নিয়ে কয়েকদিন আগেই বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে কোভিডের সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবেলায় আর লকডাউন কিংবা সাধারণ ছুটির দিকে যাবেনা সরকার।

 

কর্মকর্তারা বলছেন, কয়েকদিন আগেই এ সম্পর্কিত কিছু পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে এবং বুধবারও ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার আগে এসব বিষয়ে নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এখন পর্যন্ত সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবেলায় যেসব কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে সেগুলো হলো-

 

  • করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশের বাজারে নিয়ে আসা।

 

  • ঠাণ্ডাজনিত রোগ বা ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা, ভ্যাকসিন ও ঔষধের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা।

 

  • করোনা চিকিৎসায় যে ঔষধগুলোর দরকার হয় আগেই সেগুলোর পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা।

 

  • পরীক্ষার সংখ্যা আরও বাড়ানো এবং সে লক্ষ্যেই এন্টিজেন টেস্টের নীতিগত সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই অনুমোদন করা হয়েছে।

 

  • প্রতিটি জেলায় একাধিক পরীক্ষাগারে আরটি পিসিআর মেশিনে পরীক্ষা নিশ্চিত করা।

 

  • যেসব হাসপাতালকে কোভিড হাসপাতাল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিলো সেগুলোকে প্রয়োজনে আবারো কোভিড হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

 

  • টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা আরও জোরদার করা এবং এ সংক্রান্ত ঔষধের যেন কোনো সংকট না থাকে সেটা নিশ্চিত করা হবে।

 

  • জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে আরও প্রচার যাতে করে মানুষ পরীক্ষাকে অবহেলা না করে ও পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আগেই হাসপাতালে আসতে উদ্বুদ্ধ হয়।

 

  • স্বাস্থ্যবিধি মানতে কঠোরতা প্রদর্শন। এর অংশ হিসেবে মাস্ক ছাড়া বাইরে দেখা গেলে জরিমানা বা শাস্তির ব্যবস্থা করা হতে পারে।

 

  • শীতকালে পিকনিক বা এ ধরণের আয়োজনে নিষেধাজ্ঞার চিন্তা, সতর্কতা আসবে বিয়ের আয়োজনেও।

 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কোভিড ১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৫০৪৪ জন, আর মোট আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৮৪৪ জন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023