শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

একমাস পরেও ধ্বংসস্তুপে প্রাণের স্পন্দন!

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট

বৈরুত বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণে তৈরি হওয়া ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রাণের স্পন্দন শনাক্ত করার পর গত ২ দিন ধরে উদ্ধারকারী দল তাদের অভিযান চালাচ্ছে সেন্সরের মাধ্যমে জীবনের অস্তিত্বের সম্ভাব্য আলামত পাওয়ার পর নতুন করে খোড়াখুড়ি শুরু হয়েছে। খবর বিবিসির।

 

বৃহস্পতিবার উদ্ধারকর্মীরা জানান, তারা ধ্বংসস্তুপের নিচে সেন্সর দিয়ে প্রাণের স্পন্দন এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের লক্ষণ শনাক্ত করতে পেরেছেন। টপোস চিলি নামে ওই উদ্ধারকারী দলের একজন সদস্য জানান, হৃদস্পন্দটি একটি শিশুর হতে পারে, যার শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দও তারা শুনতে পাচ্ছেন। থার্মাল ইমেজিং পদ্ধতি ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বন্দরের পাশে ধসে পড়া একটি ভবনের নিচ তলায় এর খোঁজ পান তারা। তিনটি গর্ত করে প্রাণের স্পন্দনের স্থানটির কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছে উদ্ধারকারীরা।

 

জীবিত ওই শিশুটিকে উদ্ধারে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। উদ্ধারকারী দল হিসেবে সারা বিশ্বে খ্যাতি আছে টপোস চিলির। এর আগে হাইতিতে ভূমিকম্পে ধসে যাওয়া এক ধ্বংসস্তূপ থেকে ২৭ দিন পর এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে তারা।

 

গত ৪ আগস্ট বৈরুত বন্দরে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হয়। ওই বিস্ফোরণে পুরো শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। এ ঘটনায় ২০০ বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। আর আহত হন পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ। ঘটনার পর নিখোঁজ হয়ে যান অনেকে। লেবাননের একটি উদ্ধাকারী দলও এখনো সেখানে তাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023