শিরোনাম :
ওপার থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী কুঞ্জ মহিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি শুধু কাগজ কলমে পরিচালনা হয়ে  আসছে? শিবগঞ্জে আইসিটি বেসিক প্রশিক্ষণে প্রথম স্থান অর্জন করলেন কলেজ প্রদর্শক শিবগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের শুভ উদ্বোধন  শাজাহানপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের আলোচনা সভা ধুনটে দুই মাদকসেবীর ভ্রাম্যমাণ আদালতে ছয় মাসের কারাদণ্ড বুড়িগঞ্জে মিনি বার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত সাজেকে ইউপিডিএফ ৩০-৪০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে: আইএসপিআর মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, সমাবেশ ও আলোচনা

কাঁচামরিচের কেজি ৩০০ টাকা!

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

গত কিছুদিন ধরে সারাদেশে বন্যার কারণে সবজির বাজারে আগুন লেগেছে। কাঁচাবাজারে বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম। এই পুরো সময়ে সর্বোচ্চ দাম কাঁচামরিচের। ভালোমানের এক কেজি কাঁচামরিচ কিনতে এখন গুনতে হচ্ছে ৩০০ টাকা!

 

তবে সাধারণ মানের ভারত থেকে আমদানি করা কাঁচামরিচ ২৫০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে।

 

তবে বিক্রেতারা বলছেন, বন্যায় দেশের অনেক এলাকার ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। যেসব এলাকার পানি নেমেছে। সেখানেও অতিবৃষ্টির কারণে আবাদ শুরু হয়নি। তাছাড়া আগে থেকেই করোনা সংক্রমণের কারণে এবার সবজির আবাদ কম হয়েছে। সব কিছু মিলিয়ে সবজির বাজার বেসামাল হয়ে পড়েছে।

 

ক্রেতার আতিকুল ইসলাম জানান, এক কেজি দাম ৩০০ টাকা হলেও এক পোয়া (২৫০ গ্রাম) ৮০ টাকা দাম গুনতে হচ্ছে। এছাড়া সবজির বাজারেও আগুন লেগেছে বলে জানান তিনি।

 

জানা যায়, গত ৩০ আগস্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন কাঁচাবাজারে ২৫০ গ্রাম কাঁচামরিচ মানভেদে বিক্রি হয় ৬০-৭০ টাকায়। এ হিসাবে কেজিতে ২৮০ টাকায় বিক্রি হয়।

 

কাঁচামরিচের কেজি ছিল জুন মাসে ৬০, জুলাই মাসের শুরতে ১০০ এবং শেষে ১৬০ টাকা। চলতি মাসের শুরুতে ২০০ টাকার মধ্যে থাকলেও এখন তা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে।

 

এছাড়া অন্য সবজি যেমন ঝিঙে ৪০, কাঁকরোল ৪০, বেগুন ৫০ ও পটোল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে। চিচিঙ্গা, ধুন্দুল ও শসার কেজি ৬০ টাকা। প্রতিটি লাউ ও কুমড়ার জালি ২৫ থেকে ৩৫ টাকা।

 

গত মাসের শুরুতে এসব সবজি অর্ধেক দামে বিক্রি হয়েছে।

 

শিবগঞ্জ ও রানিহাটি কাঁচাবাজার সবজি ব্যবসায়ী সেলিম জানান, পাইকারি আড়তে অনেক সময় সবজি কিনতে কাড়াকাড়ি করতে হয়। তখন দামের কোনো ঠিক থাকে না। এ কারণে দামের পার্থক্য এখন বেশি দেখা যাচ্ছে।

 

এছাড়া আশপাশের সবজি ক্ষেত তলিয়ে গেছে। এতে বাজারে সরবরাহ আরও কমেছে। তা ছাড়া বর্ষায় এই সময়ে সবজির আবাদ কম থাকে। এ কারণে অন্য এলাকার সবজিও তেমন আসছে না। পাইকারি আড়তে এখন মুহূর্তে সবজির দাম ওঠানামা করছে। এতে বাজারে কোন সবজির কত দাম, তা সঠিকভাবে বলা কঠিন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023