শিরোনাম :
যেকোনো মূল্যে নেতানিয়াহুকে হত্যা করতে চায় ইরান সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই:সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি তেল বিতরণে বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার ইঙ্গিত ট্রাম্পের সংসদের প্রথম অধিবেশন নিয়ে যত আলোচনা ১৮ মার্চ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ: কোন দেশে কত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি জিয়া পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনাল ১০ থেকে ১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন

দুপচাঁচিয়ায় হাতুড়ে ডাক্তারদের ভুল চিকিৎসায় জনগণ অতিষ্ট

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২০

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি
দুপচাঁচিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হাতুড়ে ডাক্তারদের ভুল চিকিৎসা সেবার কারণে রোগীরা শারীরিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এমন কিছু পল্লী চিকিৎসক আছে, যারা চিকিৎসার নামে দিন দিন সাধারণ রোগীদেরকে অপচিকিৎসা দিয়েই চলছে। কিন্তু উল্লেখিত বিষয়গুলি দেখার কেউ নেই। ঠিক সেই সময়ে দুপচাঁচিয়া তে-মাথা মোড়ে এসএস ফার্মেসীর মালিকের চেম্বারে রোগী দেখেন ডাঃ হামিদুল ইসলাম পল্লী চিকিৎসক। তিনি তার ব্যবস্থাপত্রে ঔষুধ সেবন নিয়মাবলী না লিখে রোগীকে প্রেসক্রিপশন করে দেন। পল্লী চিকিৎসক হামিদুল ইসলাম কর্তৃক প্রদানকৃত ব্যবস্থাপত্র নিয়ে মোছাঃ রেনা বেগম সিও অফিস বাসষ্ট্যান্ডে ঔষধ কিনতে গেলে দোকান দার প্রেসক্রিপশন দেখে প্রেসক্রিপশনে ঔষধ সেবন বিধি লেখা নাই মর্মে ঔষধ দেয়নি। পল্লী চিকিৎসক হামিদুল ইসলামের কাছে আমি সাক্ষাৎ করিলে তিনি বলেন রোগীকে ঔষধ সেবনের নিয়ম মুখে বলে দেওয়া হয় কিন্তু বাস্তবতা হলো তিনি কখন ব্যবস্থাপত্রে ঔষধ সেবনের নিয়ম, ‘রোগের বিবরন সহও বি.পি, পাল্স কোন কিছু লিখেন না। এরপর ব্যবস্থাপত্রে ডাক্তার পদবী লেখা আছে জানতে চাহিলে বলেন রাধা বিনোদ সাহা, কমল চন্দ্র পাল ও জহুরুল ইসলাম পুটু.পল্লী চিকিৎসক তারা ডাক্তার পদবী ব্যবস্থা পত্রে লিখেন, তাই আমিও লিখি। তাহার ব্যবস্থা পত্রে রেজিঃ-নং লেখা নেই। এ বিষয়ে থানা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস কুদ্দুস এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন বি.এম.ডি.সি থেকে রেজিঃ-নং থাকলে ডাঃ পদবী লিখতে পারবে, আর না থাকলে কেঊ লিখতে পারবে না ,যদি কেঊ লিখে অভিযোগ পেলে তাহার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানিয়েছেন। কিছু কিছু পল্লী চিকিৎসক সঠিক নিয়মে ব্যবস্থাপত্র লিখেন না, কিন্তু তাদের ব্যবস্থাপত্রে ডাঃ পদবী লিখতে অতি উৎসাহী হন। ছয় মাস প্রশিক্ষণ নিয়ে একজন পল্লী চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিতে পারবেন। কিন্তু ডাক্তার পদবী লিখে এম.বি.বি.এস পাস করা চিকিৎসক দেরকে কলঙ্কিত করছে এক শ্রেনীর পল্লী চিকিৎসক বা হাতুড়ে ডাক্তার। ভাল চিকিৎসা সেবা দিতে এ ধরনের প্রতারক চিকিৎসক দেরকে জেলার সিভিল সার্জন কর্মকর্তা চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে এলাকার সুধীজন ও সাধারন মানুষেরা মনে করেন। থানার বিভিন্ন এলাকা যেমন-জিয়ানগর, মোস্তফাপুর, আলতাফনগর, চৌমুহনী বাজার,ধাপহাট, মেইল বাসষ্ট্যান্ড,ও পলিপাড়া সহ কিছু জায়গায় পল্লী চিকিৎসক বা হাতুড়ে ডাক্তার চেম্বার বসিয়ে অপ চিকিৎসা দিয়ে থাকে বলে জানা যায় ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
All rights reserved www.mzamin.news Copyright © 2023